বান্দরবানে নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং

পাহাড় ধসের শঙ্কা

বান্দরবানেও গত কয়েকদিনের টানা প্রবল বর্ষনের কারনে পাহাড় ধসের আশংখায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতিবৃষ্টির কারণে জেলা সদরের কালাঘাটা, বালাঘাটা, বনরুপা পাড়া, সিদ্দিক নগর, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে, আর সেই সাথে কয়েকটি পয়েন্টে পাহাড় থেকে মাটি ভেঙ্গে সড়কে জমে থাকায় পথচারীদের ভোগান্তী পোঁহাতে হচ্ছে।

বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের শঙ্কা থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা তথ্য অফিস এই মাইকিং করে। এসময় মাইকিংয়ে বলা হয়, দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয়তার কারণে সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ঘন্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের ফলে বান্দরবান জেলার পাহাড়ী অঞ্চলে ভূমি ধসের সম্ভাবনা রয়েছে, তাই যারা পাহাড়ের পাদদেশ, চুড়া, নদীতীরবর্তী সহ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করছেন তাদেরকে সতর্ক থাকাসহ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

NewsDetails_03

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বান্দরবান কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘন্টায় (বিকেল ৩টা পর্যন্ত) বান্দরবানে ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ী এলাকায় ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বলেন, বান্দরবানের সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি এখনো বিপদ সীমার নীচে রয়েছে এবং আমরা প্রতিনিয়ত সবকিছু মনিটরিং করছি। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং শুরু করেছি যাতে বিভিন্নস্থানে পাহাড় ধসের শঙ্কা থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীরা নিরাপদে সরে যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, জেলার ৭টি উপজেলায় পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে কেউ আসলে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে

প্রসঙ্গত, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জেলার নিন্মঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ও নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন