বান্দরবানে মুক্তিযোদ্ধা মনিরের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

“মা আমি ঝিড়িতে আর একা গোসলে করতে যাবনা,আমার ভাল লাগেনা,ভয় লাগে। মা’রে আমরা দিন মজুরের কাজ করি,তোর সাথে প্রতিদিন গোসলে কিভাবে যাবো বা কাকেইবা পাঠাবো তোর সাথে”। এমনি আলাপচারিতা চলছিল মা-মেয়ের মধ্যে,তবুও নারাজ মেয়ে। তখনই মেয়ের বান্ধবী বাসায় আসলে ধর্ষনের বিষয়টি প্রকাশ করে।

সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা ম‌নির আহম্মদ জেলা শহরের হাফেজঘোনার গোদার পাড় এলাকার বাসা খালি থাকার সুযোগে থালা বাসন ধোঁয়ার কথা বলে নিজ বসত বাড়ির পাশে অবস্থিত দুদুমিয়া মাজেদা খাতুন ফোরকানিয়া মাদরাসা থেকে বাসায় নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতেন,বলেছিলেন ধর্ষণের শিকার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী তার এক সহপাঠিকে। সহপাঠী বিষয়‌টি জানালে তা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃ‌ষ্টি হয়। এনিয়ে ধর্ষণের শিকার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীর পরিবার বুধবার (১৯ নভেম্বর) বান্দরবান সদর থানায় অভিযোগ জানালে মুক্তিযোদ্ধা ম‌নির আহম্মদকে আটক করে পুলিশ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পার্শ্ববর্তী কয়েকজন প্রতিবেশীরা বলেন,এর আগেও অ‌ভিযুক্ত মনির আহম্মদ এলাকায় বি‌ভিন্ন মেয়েকে উত্যক্ত ও কু-প্রস্তাব দিতেন। কুপ্রস্তাবে রাজি না হলে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দিতেন পরিবারের অন্য সদস্যদের।

এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা ম‌নির আহম্ম‌দ ও তার স্ত্রী বলেন, আমরা এ এলাকায় অন্যদের চেয়ে বিত্তশালী হওয়ায় এবং আমার স্বামী হজ্জ্ব করায় আমাদের ভাল কেউ দেখতে পারেনা। তাই এলাকার সবাই আমাদের নামে অপপ্রচার চালায়, আজকের এই ঘটনাটাও একটা ষড়যন্ত্র।

এদিকে এই ব্যাপারে বান্দরবান সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিষয়‌টি নিয়ে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আসছে, তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে অভিযুক্ত মু‌ক্তিযোদ্ধা ম‌নির আহম্মদ থানা হেফাজতে রয়েছেন।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।