বান্দরবানে শারীরিক দূ র ত্ব কত দূর ?

করোনা মোকাবিলার একমাত্র উপায় শারীরিক বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। সেই কারণেই লকডাউন, বাড়ি থেকে না বের হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বান্দরবানের প্রশাসন।

সবজি, মাছ, মাংস ও মুদির জিনিসপত্র সংগ্রহ করার জন্য সপ্তাহে দুই দিন (সকাল ৭ থেকে বিকাল ৪ টা) পর্যন্ত বাজার খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বান্দরবান প্রশাসন। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বাড়ি থেকে না বেরিয়েও উপায় নেই। যেমন বাজার-হাট, ওষুধ কেনা…আর সেখানেই ঘটছে বিপত্তি। প্রশাসন নির্দিষ্ট শারীরিক বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করতে বলছেন, কিন্তু অনেকেই তা মানছেন না, ফলো বান্দরবানে করোনার বিস্তার আরো বাড়বে বলে মনে করছে অনেকে।

বান্দরবান শহরের ব্যবসায়ী শাহাদাত ইসলাম বলেন, আমরা সামাজিক দুরত্ব মেনে বিক্রি করছি, কিন্তু ক্রেতারা মানছে না, ক্রেতারা দোকানে প্রবেশ করতে চাই। তাই আমরা চাইলেও ক্রেতাদের জন্যই শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা যাচ্ছে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেই আগের মত গায়ের ওপর হামলে পড়ে, ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে চলছে বিকিকিনি। অনেকেই বাজারে ও শহরের মোড়ে মোড়ে জটলা করছেন ! আর এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি ক্রমশই বাড়ছে বান্দরবানে।

বান্দরবান শহরের সেগুন বাগিচার বাসিন্দা মোহাম্মদ আমির বলেন, রাজার মাঠে সামাজিক দুরত্ব নেই বললেই চলে, মনে হচ্ছে রাজপূন্যাহ মেলা হচ্ছে। বাজার করতে গিয়ে করোনা সংক্রমন বেশি হবে বলে মনে করি।

বান্দরবানের সবজি বাজার,মুরগি বাজার ও মাছ বাজারে গাদাঁগাদি করে অনেকেই ব্যস্ত সময় পার করছে বাজার করার জন্য। করোনার সংক্রামক রোধে অন্তত ৩ফুট দুরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রশাসনের প্রচারণা অনেকটাই ব্যর্থ প্রমানিত হচ্ছে বান্দরবান বাজারে। আর এদিকে অসচেতন নাগরিকদের এমন আচরণে সচেতন মানুষের মনে দেখা দিয়েছে শংকা আর আতংক।

বান্দরবানে প্রশাসন পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখন বাঁচার একমাত্র উপায় সব রকম সতর্কতা অবলম্বন করা। মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে, বাজার করতে বের হলে সঙ্গে নিতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।