বান্দরবানে সিএনজি-মাহিন্দ্র ভাড়ায় নৈরাজ্য

যাত্রী দ্বিগুণ ভাড়াও দ্বিগুণ

বান্দরবানে লকডাউন না থাকলেও বান্দরবান- কেরানী হাট সড়কে সিএনজি/মাহিন্দ্র ভাড়ায় নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যাত্রীদের অভিযোগ, আগের মতো যাত্রী নিয়ে সড়ক পথে ছোট যানবাহনগুলো চলাচল করলেও ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিএনজি যাত্রী নেয় ৪ জন, কোন কোন সময় নিচ্ছে ৫জন। শহরের নিকটবর্তী যৌথখামার ও মেঘলা এলাকায় যেতে আগে ২০ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও, এখন ভাড়া আদায় করছে ৪০ টাকা। কেরানীহাট যেতে আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকা ভাড়া দিতে হলেও, এখন দিতে হচ্ছে ১২০ টাকা।

বান্দরবান বাজারের ব্যবসায়ী সাব্বির আহমদ বলেন, সিএনজি/মাহিন্দ্রা ও অটো রিক্সা (টম টম) আগের চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া নিচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বালাই নেই, তা সিএনজি ও টমটমে উঠলে বুঝা যায়।

আরো জানা গেছে, জেলা শহরের বাসস্টেশন থেকে যৌথ খামার ও মেঘলা এলাকার মধ্যে দূরত্ব থাকলেও দুই এলাকাতেই ২০ টাকার ভাড়া ৪০ টাকা আদায় করায় স্থানীয় যাত্রীদের সাথে মাহিন্দ্র ও সিএনজি চালকদের মধ্যে তর্কাতর্কি এখন নিত্য বিষয়, অনেক সময় ভাড়া নিয়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে।

বান্দরবানের বাসিন্দা খোকন লাল তং বলেন, বান্দরবানে গাড়ি ভাড়ার প্রতি দৃষ্টি রেখে অতি দ্রুত সাধারণ মানুষকে এই হয়রানি থেকে মুক্ত করতে প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বান্দরবান শহরের বাসষ্টেশনের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, দশটায় বান্দরবান থেকে সিএনজি তে করে রওনা দেয়, স্টেশন থেকে তিন জন নিলেও পরবর্তী মেঘলা গিয়ে আরো একজন যাত্রী নেয়। ড্রাইভারকে নিষেধ করার পরও ড্রাইভার কথা শুনেন নি, গাড়ীতে উঠে মনে হচ্ছে করোনা চলে গেছে, কিন্তু ভাড়া আগের চেয়ে দ্বিগুন নিচ্ছে, এটা অরাজকতা।

এই ব্যাপারে বান্দরবান সিএনজি/মাহিন্দ্রা মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হুসাইন বলেন, প্রশাসনের সাথে আমরা বসে ভাড়া নির্ধারণ করি, কেউ যদি নির্ধারণ ভাড়া ও যাত্রী বেশি নেয় তাহলে উপযুক্ত প্রমান দিতে পারলে তাকে সমিতি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।