বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বান্দরবান ইউনিটের কার্যক্রম সচল ও গতিশীল করতে এ্যাডহক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। আর এই কমিটি সেক্রেটারি সহ কয়েকজনকে নিয়ে বান্দরবানে ব্যাপক সমলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কমিটিতে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক খানজানা লুসাই’কে চেয়ারম্যান করে ১১ সদস্য কমিটি গঠন করা হয়। এতে ভাইস চেয়ারম্যান করা হয় জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মুজিবুর রশিদ, সেক্রেটারী পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমন। এছাড়াও সদস্য হিসাবে রয়েছে মো: খোরশেদ আলম, ডা. মিতু ইসলাম, মোমেন চৌধুরী, এডভোকেট মাধবী মার্মা, সাংবাদিক মিনারুল হক, বিপ্লব কান্তি দাশ, উম্মে কুলসুম সুলতানা লিনা ও ছাত্রনেতা আসিফ।
এদিকে রেড ক্রিসেন্টের কমিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে (অনেকে সামাজিক মাধ্যমে গঠিত কমিটির সদস্যদের ছবি সহ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী বলছে, তাদের প্রস্তাবনা দেওয়া হলেও কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কোন মূল্যায়ন করা হয়নি।

বান্দরবান সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এইচ এম সম্রাট বলেন, এই কমিটির মাধ্যমে আ’লীগের দোসর পুর্নবাসন করা হয়েছে।
এদিকে জেলার আলীকদম উপজেলার বাসিন্দা বর্তমান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমন এক সময় ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে চলাফেরা, রাজনীতিতে জাড়ানো। পরে ছাত্রদল এর রাজনীতি করে বহিষ্কৃত হওয়া এবং ৫ আগষ্টের পর ছাত্র সমন্বয়ক সেজে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বনে যাওয়া, সর্বশেষ অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায় রেড ক্রিসেন্ট সেক্রেটারীর পদ ভাগিয়ে নেওয়ায় বান্দরবান জুড়ে তোলপাড় চলছে।
এই বিষয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমন বলেন, আমি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থাকার কারনে অনেকের সাথে দেখা হয়েছে, তাই ছবি আছে। তবে কোন রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না।
জামায়াতের বান্দরবান জেলা আমীর আব্দুচ ছালাম আজাদ বলেন, কোন ধরনের আলাপ আলোচনা ছাড়া রেড ক্রিসেন্টের কমিটি করা হয়েছে।



