বেশি ঘুমালেই সর্বনাশ!

se_236775সঠিক ঘুম না হলে স্বাস্থ্য খারাপ হয়। কাজেও মন বসে না। চিকিৎসকদের মতে দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি। তবে কোনও কিছুই কিন্ত্ত অত্যাধিক ভালো নয়।যারা দিনে ১০-১২ ঘণ্টা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিচ্ছেন তারা মোটেই স্বাস্থ্যবান নন৷ দিনের অর্ধেকই তো মিস করে যাচ্ছেন! বেশি ঘুমানোর সাইড এফেক্ট জানাচ্ছে ‘অন্য সময়’।

হার্টের সমস্যা : বর্তমানে হার্ট অ্যাটাকে মৃতু্যর সংখ্যা খুবই বেড়ে গিয়েছে। যারা দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি ঘুমান তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ৩৪ শতাংশ বেড়ে যায়। তাই অত্যাধিক ঘুমালে আজ থেকে চেষ্টা করুন ঘুমের পরিমাণ কমানোর।

অবসন্নতা : বর্তমানে এই সমস্যা ক্রমবর্ধমান। কম ঘুমালে যেমন এই সমস্যা দেখা দিতে পারে, ঠিক তেমনই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ঘুমালেও এই সমস্যা হয়। বেশি ঘুমালে শরীরের কোনও মুভমেন্ট হয় না ফলে ক্যালোরি বার্ন হয় না যার ফলে অতিরিক্ত মেদ জমে। বেশি না ঘুমিয়ে এক্সারসাইজ করুন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

ডায়াবেটিস : বেশি ঘুমালে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যা। যার ফলে টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাছাড়া ওবেসিটি ও ডায়াবেটিস হাত ধরাধরি করে চলতে পছন্দ করে। তাই সাবধান!

দুর্বল মস্তিষ্ক : খুব বেশি ঘুম আপনার চিন্তাশক্তি দুর্বল করে দেয়। ফলে কোনও কিছু মনে রাখতে না পারা, মাঝে মধ্যেই ভুলে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দেয়। সবচেয়ে বড় বিপত্তি হল কনসেনট্রেশনের অভাব দেখা দেয়, যার ফলে কলেজ হোক বা অফিস সব জায়গাতেই অসুবিধা হয়।

আয়ু কমে : ভয়ানক হলেও সত্যি এটাই। অত্যধিক ঘুম আপনার আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে। রোগ না হলেও যারা বেশি ঘুমান তারা অন্যদের তুলনায় তাড়াতাড়ি মারা যান। মধুমেহ, হূদরোগের মত সমস্যায় মারা যাওয়া খুবই স্বাভাবিক।

হতাশা : যারা বেশি ঘুমান তাদের মুড সুইং খুব বেশি হয়। হতাশার পরিমাণও তাদের বেশি হয়। তাই বেশিও না কমও না, ঘুম সবসময় ৭-৮ ঘণ্টা। সূত্র : সমকাল

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।