ব্যাহত হচ্ছে রাঙামাটি পাবলিক কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম : শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

রাঙামাটি পাবলিক কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
একাডেমিক ভবন স্বল্পতার কারণে ব্যাহত হচ্ছে রাঙামাটি পাবলিক কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম। ফলে একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবীতে রোববার মানববন্ধন করেছে রাঙামাটি পাবলিক কলেজের ছাত্র ছাত্রী শিক্ষক কর্মচারী ও অভিভাবকরা।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে কলেজটির অধ্যক্ষ তাছাদ্দিক হোসেন কবিরের পরিচালনায় সংহতি বক্তব্য রাখেন, সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চিংকিউ রোয়াজা, দাতা সদস্য মনিরুজ্জামান মহসীন রানা, ছাত্রনেতা সুলতান মাহমুদ বাপ্পাসহ কলেজের শিক্ষক ও বিভিন্ন স্তরের সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কলেজের নামে বন্দোবস্তকৃত তিন একর ভূমিতে ২০১৪ সালের ২১ নভেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হলেও কাজের ধীরগতির কারণে নির্মাণ কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি। ফলে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এসময় বক্তারা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজ দ্রুত সমাপ্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করে স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। পরে মানববন্ধন থেকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল এর সার্বিক প্রচেষ্ঠায় জেলা প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তায় ২০১৪ সালের ১১মে রাঙামাটি পাবলিক কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী জেলা প্রশাসক মোঃ সামসুল আরেফিন এর সহযোগিতায় তবলছড়িস্থ মিনিষ্ট্রিয়াল ক্লাবের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে চলে আসছে উক্ত কলেজের পাঠদান কার্যক্রম।
আরো জানা যায়, কলেজটির নামে শহরের আসামবস্তির নারিকেল বাগানে বন্দোবস্ত হওয়া তিন একর জমিতে কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। এরই আলোকে কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের ২১ নভেম্বর। কিন্তু ঠিকাদারের সঙ্গে নির্মাণকারী সংস্থা পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের জটিলতার কারণে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরফলে বর্তমানে অধ্যায়নরত প্রায় ৭শ ১৮ শিক্ষার্থীর নিজস্ব একাডেমিক ভবনে পড়ালেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।