মোবাইলে রিচার্জ করতে গিয়ে ধরা পড়ে আলীকদমের সেই নৈশ প্রহরী

আমার বাড়ী আমার খামারের ‘বিশেষ প্রকল্পের সাড়ে ২২ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে একদিনও হজম করতে পারেননি নৈশ প্রহরী উসাই সুই মার্মা। একটি মোবাইলের দোকানে রিচার্জ করতে গিয়েই রাঙামাটিতে আত্মগোপনে থাকা উসাই সুই মার্মার জন্য কাল হয়ে দাড়াঁলো। মোবাইল রিচার্জের দোকানের মালিকের দেয়া তথ্য মতে রাতভর অভিযান চালিয়ে রাঙামাটি থানা পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। এসময় তার কাছ থেকে ১০ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ওসি কবির হোসেন নৈশ প্রহরী উসাই সুই মার্মার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটক উসাই সুই মার্মা বান্দরবান আলী কদম উপজেলার আমার বাড়ী আমার খামার প্রকল্পের নৈশ প্রহরী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

রিজার্ভ বাজার এলাকার মোবাইল রিচার্জ দোকানের মালিক দস্তগীর মানিক বলেন, রবিবার রাতে আমার দোকানে রিচার্জ করতে আসে উসাই সুই মার্মা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন পত্রিকায় উছাই সুই মার্মার ছবি প্রকাশ হয়ে পড়ায় চেনা চেনা লাগে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশের সাথে যোগাযোগ করি। খবর পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশ রিজার্ভ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে শান্তি বোর্ডিং থেকে তাকে আটক করে।

রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ওসি কবির হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে রাতভর অভিযান চালিয়ে সোমবার ভোরে রিজার্ভ বাজারের শান্তি বোর্ডিং থেকে নৈশ প্রহরী উসাই সুই মার্মাকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে। এসময় তার কাছ থেকে নগদ ও মোবাইলের বিকাশে ১০ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। উসাই সুই মার্মাকে আলী কদম থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রসঙ্গতঃ গত ২৬ জুলাই বান্দরবান জেলার আলী কদম উপজেলার আমার বাড়ী আমার খামার প্রকল্পের সদস্যদের ঋণের ২২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলণের জন্য নৈশ প্রহরী উসাই সুই মার্মাকে ব্যাংকে পাঠান সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কর্মকর্তা। এ সুযোগে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে পালিয়ে যায় সে। পরে আলী কদম থানায় তার নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ২৭ জুলাই ভোরে রাঙামাটির একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।