
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান শক্তিমান প্রতিদিনের ন্যায় সকালে উপজেলা পরিষদে তার অফিসে আসার জন্য রওনা করে। অফিস গেইটে ঢোকার সাথে সাথে দুর্বত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তিনি গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। জেএসএস সংস্কার এ ঘটনার জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করেছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা গ্রুপ’র (জেএসএস সংস্কার) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা এ ঘটনার জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করেছে। তিনি বলেন, ইউপিডিএফ’র সশস্ত্র গ্রুপ’র নেতা অর্পন চাকমার নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটে।
তবে ইউপিডিএফের মুখপাত্র নিরন চাকমা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা মিথ্যা ও বানোয়াট, এ ঘটনার সঙ্গে ইউপিডিএফের কোনও সম্পৃক্ততা নেই।’
রাঙামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর প্রাথমিকভাবে শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।



