রাঙামাটির ৬ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার চায় লংগদু প্রেস ক্লাব

বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক রাঙামাটি প্রতিনিধি প্রয়াত মোস্তফা কামালের পরিবারকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করা হয়েছে। আজ বুধবার লংগদু প্রেস ক্লাবে সামনে সকাল সাড়ে ১১টায় লংগদু প্রেস ক্লাব ও কর্মরত সাংবাদিকদের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা মামলা প্রত্যাহার ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেন।

আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় লংগদু প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ ইখলাস মিয়া খান সভাপতিত্বে ও লংগদু প্রেসক্লাবের বিভিন্ন মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রাঙামাটিতে মেধাবী ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সহমত পোষন করে বলেন, ষড়ষন্ত্রকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক রাঙামাটি প্রতিনিধি প্রয়াত মোস্তফা কামালের পরিবারকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করার পায়তারা করছে। ওই পরিবারের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আরো কয়েকজন সাংবাদিককে মামলায় জড়ানো হয়েছে, যা কাম্য নয়।

বক্তারা বলেন, রাঙামাটি থেকে কাজ করা বিটিভি প্রতিনিধি জাহেদা কামালের সাথে ভূমি বিরোধের জেরে তার আত্মীয়দের সাথে দীর্ঘদিন যাবত মনোমালিন্য বিরাজমান। কিন্তু ভূমি বিরোধের এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এই নারী সাংবাদিকের মান মর্যাদা ক্ষুন্ন করাসহ তার চরিত্র হননমুলক মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে তার এক আত্মীয় ইমতিয়াজ কামাল ইমন বেশ কিছুদিন যাবত তার নিজের নামে এবং বেনামে (ফেইক আইডিতে) কুৎসা রটনা করে ফেইসবুকে পোস্ট দেওয়ার মাধ্যমে সাইবার অপরাধ করে আসছিলেন।

এই বিষয়ে জাহেদা কামালের পক্ষ অবলম্বন করে কথা বলায় রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সদস্য এবং এশিয়ান টিভির রাঙামাটি প্রতিনিধি আলমগীর মানিকের পোস্টেও উল্লেখিত ইমন মানহানিকর মন্তব্য করেন।

দীর্ঘদিন যাবত বিষয়টি সহ্য করার পর বাংলাদেশ টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি ও রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সদস্য মিসেস জাহেদা কামাল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন (যার-নং রাঙামাটি কোতয়ালী থানা- ১৩৩, তাং ০৩/০৮/২০২১খ্রিঃ, রাঙামাটি কগনিজেন্স আদালতের স্মারক নং ৩৫৮২, তাং ১১/০৮/২০২১)। উক্ত অভিযোগটি বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

এসময় বক্তারা আরো বলেন,পারিবারিক ভূমি বিরোধের ক্ষোভ নিবারণের জন্য বিটিভি’র রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি জাহেদা কামালের আত্মীয়া আয়েশা আক্তার সোনিয়া ও তার স্বামী ১১৯ নং সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুুর রহমান ছিদ্দিকী (সাইফ) পররস্পর যোগসাজশে উল্লেখিত ইমতিয়াজ কামাল ইমনকে ব্যবহার করছেন।

তিনি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাঙামাটির থানা-পুলিশ এমনকি আইন কর্মকর্তাদের কাছে একের পর এক নিজের পদের পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে মামলাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

কর্মকর্তার মোবাইলের কল রেকর্ড চেক করলে যার সত্যতা মিলবে। এই আইন কর্মকর্তা ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য নিজের পদবী ব্যবহারের মাধ্যমে ইমনকে দিয়ে নানা রকম প্রোপাগান্ডা চালিয়ে পুরা সাংবাদিক সমাজের মান-মর্যাদা ক্ষুন্ন করে চলেছেন।

আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং একই সাথে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।