রামগড়ে শিওর ক্যাশ’র গ্রাহকরা হয়রানির স্বীকার !

খাগড়াছড়ির রামগড়ে মোবাইল ব্যাংকিং শিওর ক্যাশের গ্রাহকরা ৬ মাস ধরে ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে সরকরি ডিজিটাল সেবা। এজেন্ট পয়েন্টে নিজেদের টাকা তুলতে পারছেন না সরকারি ভাতা ভোগীরা। এজেন্ট পয়েন্ট ঘুরে ঘুরে যথাসময়ে টাকা উত্তোলন করতে না পেরে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে শিওর ক্যাশের গ্রাহকদের মধ্যে।

শিওর ক্যাশের ডিস্ট্রিবিউটরের অধিনে রামগড় বাজারে ৩০- ৩৫টি এজেন্ট পয়েন্ট রয়েছে। কয়েকটি পয়েন্টে গিয়ে কথা বলে জানা গেছে, খাগড়াছড়ি জেলা শিওর ক্যাশের ডিস্ট্রিবিউটর তৈয়বী এন্টারপ্রাইজকে বিটুবির মাধ্যমে টাকা পাঠালে ডিস্টিবিউটর যথাসময়ে এজেন্ট পয়েন্টকে নানান অজুহাতে টাকা ডেলিভারি দিতে পারে না। এছাড়া এস আর (সেলস রিপ্রেজেনটেটিভ) এর মাধ্যমে ১ লক্ষ টাকা হলে বিটুবি করার পরামর্শ দেন। আগে বিটুবি করার দিনই বা তারপর দিন এস আর কিংবা রুপালী ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাওয়া যেত। বিগত ৬ মাস ধরে তা করা হচ্ছে না। ফলে গ্রাহকদের থেকে টাকা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে ডিস্ট্রিবিউটর ও এজেন্ট পয়েন্টের সমন্বয়হীনতার কারণে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক প্রাপ্ত গর্ভকালীন ভাতা,দুগ্ধ ভাতার টাকা তুলতে পারছে না প্রায় ২ হাজার সরকারি সুবিধাভোগী গ্রাহক।

দুগ্ধ ভাতা প্রাপ্ত (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) একজন বলেন, সরকার মানুষের কষ্ট কমাতে, ব্যাংকে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা তুলতে হয়রানি থেকে বাঁচাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করেছে। অথচ শিওর ক্যাশের ডিস্ট্রিবিউটের গাফিলতির কারণে সরকারের ডিজিটাল সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অত্র উপজেলায় প্রায় ২ হাজার ভাতা গ্রহণকারী রয়েছে। প্রতিদিন অনেকেই এসে অভিযোগ করছে এজেন্ট পয়েন্ট থেকে তারা টাকা উত্তোলন করতে পারছে না।

স্থানীয় রূপালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ আজাদ হোসেন বলেন,মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস)রুপালী ব্যাংকের কার্যক্রমের অংশ হলেও এজেন্ট ব্যাংকিং এর সাথে শাখার কোনো সম্পর্ক নেই।

এবিষয়ে শিওর ক্যাশ”র জেলা ডিস্ট্রিবিউটর মেসার্স তৈয়বী এন্টারপ্রাইজের মালিক মোঃতারেক এজেন্টদের অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবী করে বলেন, প্রতিদিনই এস আর রামগড়ে গিয়ে এজেন্টদের টাকা পরিশোধ করে আসছে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।