রুমায় দুই কোটি ৭১লক্ষ ৫৫হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলো ৬টি বিদ্যালয়

রুমায় নতুন ভাবে নির্মিত ঘানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
সারা দেশে বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় দেড় হাজার প্রা: বিদ্যালয় স্থাপন” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বান্দরবানের রুমা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গৃহিত ৬টি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নতুন ভবন নির্মান কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এ ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয়ে হয়েছে দুই কোটি ৭১লক্ষ ৫৫হাজার টাকা। এসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু হলে দুর্গম এলাকার বিপুল সংখ্যক দরিদ্র ও গরীব শিক্ষার্থীরা নিজ ঘরে থেকেই পড়ালেখার সুযোগ পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১০সালে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণার পর দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০১৩-২০১৪অর্থসালে বান্দবানের রুমা উপজেলায় দুর্গম এলাকার এই ৬টি বিদ্যালয় নির্মাণ কাজ শুরু হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নে দুর্গম রেমাক্রি প্রাংসা ইউনিয়নের মেনরন-ফাইনং পাড়া, চিংলক পাড়া, গালেঙ্গ্যা ইউনয়নের ভরত পাড়া এবং পাইন্দু ইউনিয়নের পলিতং পাড়া ও প্রংফুমক পাড়াসহ মোট ৬টি নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অবকাঠামোগত ভবন নির্মাণ কাজ সম্প্রতি সুষ্ঠু ভাবে শেষ হয়েছে।
এলজিডি’র রুমা উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ রবিউল হোসেন পাহাড়বার্তাকে জানান, রুমা সদরে “ঘোনা পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ইতোমধ্যে শিক্ষা বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকিগুলো যথাসময়ে শিক্ষা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ বেলাল হোসেন জানান, এলজিইডি’র কর্তৃক হস্তান্তরিত “ঘোনা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ” গত ১৯এপ্রিল থেকে চালু করা হয়েছে। এ বিদ্যালয়ে ৫জন শিক্ষক সংযুক্তিতে নিয়োগ দিয়ে বর্তমানে পাঠদান কার্যক্রম চলছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উক্যসিং মারমা পাহাড়বার্তাকে বলেন, চালু হয়ে প্রথম ভর্তি হিসেবে প্রথম ও ২য় শ্রেণিতে মোট১০২জন শিক্ষার্থি পড়ালেখা করছে। নতুন স্থাপিত বিদ্যালয় হিসেবে নানা সমস্যা ও সংকটের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদানসহ সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা সমাধানের চেষ্টা করছি।
উপজেলা চেয়ারম্যান অংথোয়াইচিং মারমা পাহাড়বার্তাকে বলেন “সারা দেশে বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় ১৫শ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রুমা উপজলায় গৃহিত ৬টি বিদ্যালয়ের মধ্যে একটি মাত্র চালু করা গেছে। বাকি ৫টি চালু হলে দুর্গম এলাকার আরো কমপক্ষে ৫শতাধিক শিক্ষার্থি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ে পড়ালেখার সুযোগ পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করি। এতে রুমা উপজেলায় নতুন ৬টি বিদ্যালয় চালু হলে সংখ্যায় ৪৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হবে, যা আগে ছিল ৩৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

আরও পড়ুন
3 মন্তব্য
  1. Dipta Das বলেছেন

    রুমায় অনেক উন্নতি হচ্ছে! Raj Prottay Abdullah Aarmane Tonmoy Saha Mussabbir Mahin

    1. Tonmoy Saha বলেছেন

      উন্নতির সোদনে দাঁড়ানো যাচ্ছে না

    2. Mussabbir Mahin বলেছেন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।