রুমায় পর্যটক চলাচলের সেতু সংস্কারে ইউএনও এর স্পর্শকাতর পত্র !

রুমা বাজার থেকে হাসপাতাল যাওয়ার রাস্তায় অবস্থিত সেতুটির পাঠাতন খুলে বেহাল অবস্থায়
বান্দরবানের রুমা উপজেলার রুমা বাজার থেকে হাসপাতাল যাওয়ারসেতুটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার কারনে দ্রুত সংস্কার করার তাগিদ দিয়ে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বলে অবিহিত করে এলজিইডিকে পত্র দিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুল আলম।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রুমা বাজার থেকে হাসপাতাল যাওয়ার রাস্তায় অবস্থিত সেতুটির পাঠাতন খুলে যাওয়া ও পচে নষ্ট হওয়ার পরও সংস্কার না করার কারনে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারনে স্থানীয়সহ পর্যটকদের ভোগান্তির শেষ নেই। এই সেতুর উপর দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রুমা থানা এবং পর্যটকরা নিয়মিত বগালেক ও কেওক্রাডং যাতায়াত করে।
আরো জানা গেছে, জনগুরত্বপূর্ণ সেতু হওয়ার পরও এই সেতু সংস্কার না করার কারনে বিপদজনক হওয়ার কারনে চলাচল বন্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, রুমা থানা, রুমা সদর ইউনিয়নের একটি অংশ ও রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের সাথে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশংখা প্রকাশ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইতিমধ্যে সেখানে উত্তোলন করা হয়েছে লাল পতাকা।
এই ব্যাপারে রুমার বাসিন্দা শৈহ্লাচিং মার্মা বলেন, সেতুটি সংস্কার করা প্রয়োজন, দ্রুত সংস্কার করা না হলে পর্যটক চলাচলে সমস্যা হতে পারে।
গত ২৭ জুন এক পত্রে তিনি এলজিইডিকে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখেন, সেতুটির অর্ধেক লোহার ফ্রেম দ্বারা তৈরি, অবশিষ্ট অংশ কাঠের পাটাতনে তৈরি। সেতুটির কাঠের নির্মিত অংশে অধিকাংশ পেরেক উঠে গেছে, বেশ কিছু কাঠ পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে এবং ভেঙ্গে গেছে। সেতুটির অনেক নিচে ঝিরি অবস্থিত। সেতুটির উপর দিয়ে ট্রাক, জীপ, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়মিত যাতায়াত করে। এই রাস্তা দিয়ে পর্যটকগণ নিয়মিত বগালেক ও কেওক্রাডং যাতায়াত করে। সেতুটির কাঠ খুলে গিয়ে এমন অবস্থা ধারন করেছে যে, যেকোন সময় যে কোন গাড়ি সেতুর কাঠ ভেঙ্গে নিচে ঝিরিতে পরে যাওয়ার সমূহ আশংকা রয়েছে।
সেতুটির বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সেতুটির উপর দিয়ে গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা ব্যতিত কোন উপায় নেই। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, রুমা থানা, রুমা সদর ইউনিয়নের একটি অংশ ও রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের সাথে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যাবে। এমতাবস্থায়,ব্রিজটি দ্রুত মেরামত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করে তিনি বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বলে অবহিত করেন।
প্রসঙ্গত, সেতুটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা না হলে স্থানীয়সহ পর্যটক যাতায়তের সেতুটি বন্ধ করা হলে উপজেলায় পর্যটক আগম কমে যেতে পারে।##

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।