রুমায় শেষ হলো ওয়াগ্যেয়াই পোয়ে উৎসব

বান্দরবানের রুমায় ওয়াগ্যেয়াই পোয়ে উৎসবে জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল শাহনেওয়াজ পিএসসিসহ অতিথিরা
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় আকাশে রঙিন ফানুস উড়ানোসহ এক বর্নিল আয়োজনে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসুচি গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিন দিনের ওয়াগ্যেয়াই পোয়ে উদযাপিত হয়েছে।
গত শুক্রবার বিকালে সমাপণি দিন কেন্দ্রীয় উৎসব উৎযাপন পরিষদের আয়োজনে রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গনে রথযাত্রা উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। রুমা জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল শাহনেওয়াজ,পিএসসি ও উপজেলা উপজেলা চেয়ারম্যান অংথোয়াইচিং মারমা যৌভাবে মোমবাতি প্রজ্জ্বলণের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল শাহনেওয়াজ বলেন,পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছু শ্রেণির লোক ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে থাকে। এসব শ্রেণি অন্তত; রুমা উপজেলায় তাদের কোনো স্থান নেই। যারা করবে, তাদের কঠোর হাতে দমন করতে সকলের প্রতি আহবান জানায়।
রুমা সদর ইউপি চেয়ারম্যান শৈবং মারমার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জুয়েল বম, রুমা জোনের মেজর ইমতিয়াজ খান রওনক, রুমা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল কাসেম, রুমা সাংগু সককারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুইপ্রুচিং মারমা, বান্দরবান জর্জ কোর্টের এপিপি এ্যাড্ বাসিংথোয়াই মারমা, রোয়াংছড়ি কলেজের প্রভাষক মংচসিং মারমা, রুমা বাজার পরিচালনা কমিটি সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন ও রুমা হরি মন্দির পরিচালনা কমিটি সহ সভাপতি রতন কান্তি দাশ প্রমুখ।
এ রথযাত্রা ও বর্নিল আয়োজনে আকাশে ফানুস উড়নোয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছাড়াও নর-নারী ও কিশোর-কিশোরীসহ সকল পেশাজীবী শ্রেণি লোকজনের অংশ গ্রহণ ছিল লক্ষণীয়। এতে বৌদ্ধ, হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের দৃশ্যত; ওয়াগ্যেয়াই পোয়ে‘র এক মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে।
পরে পরিষদ মিলনায়তনে পরিবেশিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মংমং মারমা উপস্থাপনায় গভীর রাত পর্যন্ত মারমাদের ঐতিহ্যবাহী লোকগীতি কাপ্যা-লাংগা এবং স্থানীয় ও বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত শিল্পীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করা করা হয়।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।