রুমা-থানচিতে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ

NewsDetails_01

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাতের কারনে বেইলী ব্রীজ দেবে গিয়ে রুমা-থানচিতে ভারি যানবাহন বন্ধ বন্ধ রয়েছে।একই সাথে ১৫ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে বান্দরবান সদরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এতথ্য জানা যায়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে গত ২৬ মে থেকে থেমে থেমে ভারি বৃষ্টি পাত ও সাথে হাল্কা থেকে মাঝারি আকারের ঝড়ো হাওয়া বইছে।এতে বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ লাইনে গাছ ভেঙে পড়ে প্রায় ১৫ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে জেলা সদর, থানচি ও রুমায় উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।বিদ্যুৎ বিহীন নগরীতে পরিনত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এসব এলাকা গুলো।এছাড়া বান্দরবান-রুমা-থানচি সড়কের মিলছড়ি পুলিশ ক্যাম্প সংলগ্ন বেইলী ব্রীজের নীচ থেকে মাটি সরে গিয়ে ব্রীজের গাইড ওয়াল ভেঙ্গে যাওয়ায় বান্দরবান থেকে রুমা-থানচিতে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

NewsDetails_03

থানচি বাস মালিক সমিতির লাইন ম্যান সাহাব উদ্দীন জানান, ব্রীজের একপাশে গাইড ওয়াল ভেঙ্গে গিয়ে এক পাশ দেবে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ব্রীজটি।ফলে দূর্ঘটনা এড়াতে রুমা-থানচিতে সকল প্রকার ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

মিলনছড়ি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ রবিন্দু চাকমা জানান, ভারী বৃষ্টির ফলে মিলনছড়ি ক্যাম্প ও লাইমী পাড়ার মাঝামাঝি বেইলি ব্রীজের দক্ষিণ পাশের একাংশ দেবে যাওয়ার কারণে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা আছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারনে জেলায় এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের কোন ক্ষয়-ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন