লামার সরই ইউপি’র আব্দুল জব্বার মেম্বার কারাগারে

NewsDetails_01

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় জমি নিয়ে মারামারি মামলায় সরই ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল জব্বার ও তার ভাই খোরশেদ কে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ শুনানির পর উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আব্দুল জব্বার ও খোরশেদ সরই ইউনিয়নের ক্যয়াজুপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানা যায়, হাবিবুর রহমানের স্ত্রী খালেদা আক্তার মেম্বারের প্ররোচনায় স্থানীয় জনৈক বোরহান উদ্দিনের বাবা মৃত সাজেদ উল্লাহর নামীয় জায়গা জোর পূর্বক জবর দখলের অপচেষ্টা করে আসছিল উল্লেখিত বিবাদীরা। এ ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে বিবাদীগণ সংঘবদ্ধ হয়ে অজ্ঞাত নামা আরও ১০-১২ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাদীর জমিতে অনাধিকার প্রবেশ করে অশ্লীল ও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এ সময় বাদীপক্ষ বাধা প্রদান করলে বিবাদীরা হামলা করেন। এতে বাদী পক্ষের নারী সহ বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরহান উদ্দিন বাদী হয়ে ২০২৩ সালে ৫ মার্চ হাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রী খালেদা বেগম, ছেলে আব্দুল জব্বার, তার ভাই টিপু, খোরশেদ, জালাল আহমদ, আব্বাস উদ্দিন, মোহাম্মদ ইসলাম, আব্দুল জব্বারের ছেরে আরিফুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন. স্থানীয় মন্নান সহ অজ্ঞাত নামা আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।

NewsDetails_03

মামলার তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। গত ৪ জুন বিবাদীরা আত্মসমার্পন করে জাামিন চাইলে, দীর্ঘ শুনারির পর আব্দুল জব্বার ও খোরশেদ আলমের জামিন না মঞ্জুর করেন ও অন্য বিবাদীদের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।
এদিকে বাদী বোরহান উদ্দিন অভিযোগ করে জানান, বিবাদীরা জামিনে এসে মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদর্শন করছে।

এ বিষয়ে লামা উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবি মো. মিজানুর রহমান বলেন, মারামারির ঘটনায় জড়িত থাকায় আদালত আব্দুল জব্বার মেম্বার ও তার ভাই খোরশেদ এর জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন