লামায় কৃষি ব্যাংক ম্যানেজারসহ আরো ১০ জনের করোনা পজেটিভ, মোট শনাক্ত ৪০ জন

হু হু করে বাড়ছে বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। এতে সংক্রমণ ঠেকাতে পৌরসভা এলাকাকে রেড় জোন চিহ্নিত করে লকডাউন ঘোষনা করে প্রশাসন। অথচ লকডাউনের প্রথম দিনেই চিকিৎসক, সাংবাদিক, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের পর এবার উপজেলায় কৃষি ব্যাংক ম্যানেজার ও থানা পুলিশের সদস্যসহ ১০ ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পজেটিভ এসেছে, অর্থাৎ তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এ নিয়ে উপজেলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়লো ৪০ জনে। এর মধ্যে ১২জন সুস্থ হয়েছে বাড়ী ফিরেছেন। বাকীরা আইশোলেশন ও হোম কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসাধীন আছেন।

শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক মোহাম্মদ রোবীন। তিনি জানান, কৃষি ব্যাংক ম্যানেজার এস.এম মোর্শেদ আলী, পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা ক্ষেমা তংচংগ্যা, মো. ইয়াহিয়া, উক্য ওয়াং মার্মা, রত্না মল্লিক, নুরুল আলম, অভিরাজ বড়ুয়া নমুনা দেওয়ার পর পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে তাদের নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনে করোনা পজেটিভ আসে। করোনা রিপোর্ট পজেটিভ হলেও বর্তমানে তারা মোটামুটি সুস্থ আছেন। এদিকে থানা পুলিশের সদস্য হাসানুজ্জামান, পৌরসভা এলাকার শেলী বড়ুয়া ও নিপুল বড়ুয়ার নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তারা লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দিয়েছিলেন। ১৪দিন পর পরীক্ষার জন্য পূণরায় তার নমুনা সংগ্রহ করা হবে।

উপজেলা শহরের হাট বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে স্থানীয়রা স্বাস্থ্য বিধি না মেনে চলার কারণে উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিধি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের তড়িৎ হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল।

এ বিষযে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ- জান্নাত রুমি বলেন, প্রাণঘাতী করোনা সংক্রমন এডাতে আক্রান্তদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইশোলেশন ও হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ২৫জুন থেকে পৌরসভা এলাকাকে রেড জোন চিহ্নিত করে লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। কেউ স্বাস্থ্য বিধি না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।