লামায় তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন

প্রস্তাবিত ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের বাজেটে বিড়ি শিল্পের উপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব না করায় এক প্রতিক্রিয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞা জানিয়েছেন বান্দরবান জেলার তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

রবিবার (১৩ জুন) দুপুরে লামা প্রেসক্লাবের তৃতীয়তলাস্থ বীর বাহাদুর মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে ৬ দফা দাবী তুলে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বান্দরবান জেলা তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি এসএম মোস্তাকিম জনি। এ সময় সংগঠনের লামা উপজেলা সভাপতি আবুল বশর, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, আলীকদম উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. ফারুখ, সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য রিয়াজুল ইসলাম, চাষীর পক্ষে উশৈথোয়াই মার্মা, চাষী দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি এসএম মোস্তাকিম জনি বলেন, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষই তামাক চাষের সঙ্গে জড়িত। পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় এখানে অন্য কোন ফসলের ফলন ভালো হয়না। ফলে তামাক চাষ করে আমরা জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। এই তামাক ব্যবহার হয়ে থাকে কেবল দেশীয় বিড়ি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে। তাই আমরা তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা বিড়ি শিল্পের সাথে ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। বিড়ি শিল্পের উপর শুল্ক বৃদ্ধি হলে তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের উপর বিরুপ প্রভাব পড়ে।

তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক রক্ষায় কর্তৃপক্ষের কাছে সংগঠনের দাবী সমূহ হলো- তামাকের ন্যায্য মুল্য নির্ধারণ করতে হবে, তামাক চাষীর সকল উৎপাদিত তামাক বিক্রয়ের নিশ্চয়তা দিতে হবে, ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেটে বিড়ির উপর অতিরিক্ত ৪ টাকা মূল্যস্তর কমাতে হবে, বিড়ির উপর আরোপিত অগ্রিম ১০% আয়কর কমাতে হবে, তামাক চাষের সুবিধার্থে বহুজাতিক কোম্পানীর আগ্রাসন থেকে সুরক্ষা দিতে হবে ও দেশীয় শিল্প রক্ষার স্বার্থে বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর নি¤œস্তর সিগারেটের উপর শুল্ক বৃদ্ধি করতে হবে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।