লামায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি : আলীকদমের সাথে সড়ক যোগাযোগ চালু

টানা বর্ষণে বান্দরবানের লামা উপজেলার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত (ফাইল ছবি)
বান্দরবানের লামা উপজেলার নিচু এলাকা থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে নিজগৃহে ফিরে গিয়ে বাড়ি ঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন লামা পৌর এলাকাসহ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রিত প্রায় ৫শ’ শতাধিক মানুষ। এছাড়া আলীকদম-লামা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে যাওয়ায় আলীকদমের সাথে লামা ও চকরিয়া সড়ক যোগাযোগ চালু হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকাল নাগাদ আবারো প্রবল বর্ষণ শুরু হয়। এতে করে র্পূনরায় পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। গত ৩০ মে ঘূর্ণিঝড় মোরা’র আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পর ১১ দিনের মাথায় আবারো পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া পরিবারগুলো তাদের পূর্ণবাসন ও সাহার্যার্থে এগিয়ে আসার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর প্রতি দাবী জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানায়, প্রবল বর্ষনের ফলে উপর থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে সোমবার সকাল থেকে লামা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার নিচু এলাকা প্লাবিত হয়। ভারি বর্ষন কমে যাওয়ার ফলে মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি কমতে শুরু করে। দুপুর নাগাদ নিম্নাঞ্চল থেকে পানি প্রায় সম্পূর্ণ নেমে যায়।
পাহাড়ি ঢলের পানিতে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হলে প্রায় ৫ শ’ লোক লামা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, লামা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা এবং লামা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় গ্রহন করে। রাতেই পৌরসভার পক্ষ থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রিতদের মধ্যে চাল, ডাল, আলু, তৈল, পেয়াঁজ, রসুন, মোমবাতি ও দিয়াশলাই বিতরণ করা হয়। এদিকে লামা- আলীকদম সড়কের লাইনঝিরি ও শিরলেরতুয়া পয়েন্ট থেকে পানি নেমে যাওয়ায় আলীকদমের সাথে লামা এবং চকরিয়ার সড়ক যোগাযোগ ফের চালু হয়েছে।
লামা পৌরসভা মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে আশ্রিতদের মধ্যে রাতেই পৌরসভার পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানি কমে যাওয়াই আশ্রিতরা বাড়ি ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।