শীতবস্ত্র পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করলেন থানচির প্রবীণরা

অপ্রত্যাশিত হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছিল বান্দরবানের এক সময়ের পিছিয়ে পড়া, দূর্গম উপজেলা খ্যাত থানচির ৬০ থেকে ৮০ বছরের অর্ধশতাধিক বয়স্ক পাহাড়ী মানুষ। তাদের পর্যাপ্ত শীত বস্ত্র ছিলনা। থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদ হতে শীতবস্ত্র হিসাবে কম্বল পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করলেন তারা।

বান্দরবানের থানচি উপজেলার হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা ক্যইসা প্রু মারমা, ক্যইহ্লাঅং মারমা, গংপি ম্রোসহ অর্ধশতাধিক নারী পুরুষ কম্বল নিতে আসলেন। তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু জন্ম না হলে, এই দেশ কখনও স্বাধীন হতোনা। স্বাধীন হয়েছে বলে এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব আছে বলেই এই দূর্গম এলাকায় এখন শীত নিবারনে জন্য কম্বল পাচ্ছি।

তারা আরো বলেন, অপ্রত্যাশিত হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছিলাম আমরা, সঠিকভাবে বয়স্ক ভাতা যেমন পাচ্ছি, ঠিক এই প্রচন্ড শীতেও শীত বস্ত্রও পাচ্ছি। সুতরাং আমাদের আর্শিবাদ পাওয়ার যোগ্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আমাদের মন্ত্রী বীর বাহাদুর।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর)সকাল ১০টায় বান্দরবানের থানচি উপজেলা সদরের ৩ নং থানচি ইউনিয়ন পরিষদে উদ্যোগের পরিষদের প্রাঙ্গনে প্রায় ৫ শ হত দরিদ্র শীতার্থ বয়স্কদের কম্বল বিতরণ করা হয়েছিল। সে সময় উপস্থিত অতিথিদের সামনে উপরোক্ত কথা বলেছিলেন তারা।

শীতার্থ হত দরিদ্রদের কম্বল বিতরনের সময় থানচি উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুমে প্রু মারমা, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাংসার ম্রো, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ডলিচিং মারমা,ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান চাইসিংউ মারমা, শ্রমিক লীগের সম্পাদক ও ইউপি মেম্বার উসাইঅং মারমা প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, বান্দরবানের একসময়ের সবচেয়ে দূর্গম উপজেলা থানচির সাঙ্গু নদীর উপর ব্রিজ নির্মান ও স্বাধীনতার পর এই সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌছার কারনে সরকারী যেকোন সহায়তা এখন দ্রুত পৌছে যায়,যার ফলে উপজেলার প্রবীণরা আওয়ামী লীগ সরকারের অবদান ও ক্ষোদ প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করতে ভুল করেন না।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।