শেখ হাসিনার কারনেই পার্বত্য চট্টগ্রাম এখন সম্প্রীতি ও মৈত্রিময় অঞ্চল : বীর বাহাদুর

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতার কারনেই পার্বত্য চট্টগ্রাম এখন সম্প্রীতি ও মৈত্রিময় অঞ্চল। এক সময় পার্বত্য চট্টগ্রামকে হেয় চোখে দেখা হতো, এখন পার্বত্য চট্টগ্রামকে হেয় ভাবে দেখার সুযোগ নেই।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিন ব্যাপী বঙ্গবন্ধু অ্যাডভেঞ্চার উৎসব ২০২১ এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) রাঙামাটিতে এসব কথা ব‌লেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশৈসিং এমপি।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে ৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর শান্তি চুক্তি সম্পাদনের পর থেকে অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। সারা দেশের মত পার্বত্য চট্টগ্রামে ও খেলাধুলাসহ প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

বীর বাহাদুর বলেন, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীতে এ ধরনের উৎসব গোটা জাতিকে উদ্বেলিত করার পাশাপাশি মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উজ্জীবিত করতে অনন্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের অনুষ্ঠান পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটন বিকাশ ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।পাহাড়ে আয়োজিত এই বঙ্গবন্ধু অ্যাডভেঞ্চার উৎসব পার্বত্য চট্টগ্রামকে বহিবিশ্বে আরো নতুনভাবে পরিচিতি করবে এবং অ্যাডভেঞ্চারের ক্ষেত্রে অনেক উচু পর্যায়ে নিয়ে যাবে।

রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় পাঁচ দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব-২০২১ গত সোমবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, পররাস্ট্র মন্ত্রী ড. এ‌কে আব্দুল মো‌মিন এম‌পি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় উৎসবটির আয়োজন করে, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরার সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব সুদত্ত চাকমা, রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ, পুলিশ সুপার মীর মোদদা‌ছেছর হো‌সেন, উন্নয়ন বোর্ড ভাইস‌ চেয়ারম্যান নুরুল আলম নিজামী উপস্থিত ছিলেন।

উৎসবে বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রমে ১০০ অ্যাডভেঞ্চারার অংশ নিয়েছে। এদের মধ্যে ছিলেন, পার্বত্য এলাকা থেকে ৫০ জন, দেশের অন্য এলাকার ৫০ জন।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।