ষষ্ঠী পুজার মাধ্যমে কাপ্তাইয়ের ৭ টি মন্দিরে শুরু হচ্ছে দূর্গাপুজার আনুষ্ঠানিকতা

“শিশিরে শিশিরে শারদ আকাশে ভোরের আগমনী”- শরৎকালের শিউলি ফুলের মৌ মৌ গন্ধ মনকে যখন আন্দোলিত করে ঠিক তখনই সনাতন সম্প্রদায়ের ঘরে খুশীর জোয়ার বহে যায়, মা দূর্গা আসবেন ধনবান পূর্ন করে দিবেন গৃহবাসীকে। এবার মা আসবেন ঘোড়ায় চড়ে যাবেনও ঘোড়ায় চড়ে তাইতো আকাশে থাকবে মেঘের ঘনঘটা হতে পারে বৃষ্টি। বৃষ্টি কিংবা ঝড় তুফান যা হউক প্রস্তুতি থেমে নেই পুজারীদের।

ইতিমধ্যে রাঙামাটির কাপ্তাই এর ৭টি পুজামন্ডপে তুলির আঁচড় শেষে মৃৎশিল্পিরা সাজিয়ে রেখেছেন মায়ের আসন। মৃন্ময়ী মা’কে চিন্ময়ী রুপে পাবার আরাধ্যে ভক্তকুল আকুল আগ্রহে অপেক্ষা করছেন দেবীর আগমনের অপেক্ষায়।

কাপ্তাই উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি দীপক কুমার ভট্রাচার্য্য জানান, এই বছর রাইখালী ত্রিপুরা সুন্দরী কালি বাড়ি, চন্দ্রঘোনা মিশন এলাকা আদি নারায়ন বৈদান্তিক গীতা মন্ডপ, মিশন সিদ্বিশ্বরি কালি বাড়ী, কেপিএম হরিমন্দির, কাপ্তাই লগগেইট জয় কালি বাড়ী,কাপ্তাই প্রজেক্ট সার্বজনীন দুর্গা মন্দির এবং শিলছড়ি দুর্গামন্দিরে দূর্গাৎসব পালন করা হবে। কাপ্তাই এর বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, বাংগালী হিন্দুদের এই উৎসবকে সাদরে বরণ করার জন্য পুজামন্ডপ গুলোকে সাজানো হয়েছে নান্দনিক সাজে।

উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ ধর পিন্টু জানান, বিজয়া দশমীর দিনে কর্নফুলি নদীতে নৌ র‍্যালীর মাধ্যমে প্রতিমা বির্সজন দেওয়া হবে। যেখানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত থাকবেন রাংগামাটি পার্বত্য আসন হতে নির্বাচিত সাংসদ দীপংকর তালুকদার।

কাপ্তাই থানার ওসি নাছির উদ্দিন জানান, প্রতিটি মন্দিরে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা গ্রহন করা হবে, যাতে এই উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন হয়।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।