সবার উচিত গুজব এড়িয়ে চলা : ক্যশৈহ্লা

সাদা পাকুড় গাছের বীজের মতো দেখতে (যা স্থানীয়দের ভাষায় করল বীজ) কিছু বীজ কে করোনার ওষুধ হিসাবে অবিহিত করে পার্বত্য জেলায় গুজব ছড়িয়ে দিয়েছে কিছু অসাধু ব্যাক্তি। অনেকে বলছেন দেবতার প্রদত্ত ডিম পাওয়া যাচ্ছে। যা পানিতে ভিজিয়ে খেলে অমঙ্গল কেটে যাবে, এমন গুজব এখন পাহাড়ময়।

আর করোনার সংক্রামনের সংকটময় এসময়ে কোন ধরণের গুজবে কাউকে কান না দিতে আহব্বান জানান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্যশৈহ্লা।

তিনি পাহাড়বার্তাকে আরো বলেন, যারা করোনার মতো মহামারি নিয়ে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

সূত্রে জানা গেছে, পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকার করোনার ওষুধ পাওয়ার গুজবে রীতিমতো লঙ্কাকাণ্ড চলছে। পার্বত্য জেলার দীঘিনালা, রাজস্থলী,বান্দরবান জেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় এ গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর সাদা রঙের এই বীজ সংগ্রহ করে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে তা খাচ্ছে কতিপয় মানুষ।

আরো জানা গেছে, করোনার ওষুধ পাওয়ার গুজবে বিভিন্ন এলাকায় সাদা আকৃতির এসব বীজ অনেকে রাতের আধারে সংগ্রহ করছে । কেউ আবার রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়ার কথা বলে পানিতে ভিজিয়ে রাখছেন। তাদের বিশ্বাস, পানিতে ভিজিয়ে এই বীজ খেলে রোগমুক্ত হওয়া যাবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রোগের প্রতিষেধক বা ওষুধ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রতিষেধক ব্যবহারযোগ্য করা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া এবং সময়সাপেক্ষ। প্রতিষেধক আবিষ্কারে সময় বাঁচাতে আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার, চীনা বিজ্ঞানীরা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। কাজেই কোনো ফলের বীজ খেয়ে করোনা মুক্তির চেষ্টা নিছক পাগলামি ও গুজব। আর এই বীজ খেলে থাকছে মৃত্যু ঝুঁকি।

আরও পড়ুন
Loading...