সড়ক নয়, যেন মরন ফাঁদ রোয়াংছড়ির কচ্ছপতলি সড়ক

রোয়াংছড়ির কচ্ছপতলি সড়ক
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার কচ্ছপতলি সড়ক, চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই ব্যাপক ভাঙ্গন, খানাখন্দের কারনে এখন সড়ক নয় যেন, স্থানীয়দের জন্য মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার রোয়াংছড়িতে গত কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টিতে উপজেলার আলেক্ষ্যং ইউনিয়নের সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। রোয়াংছড়ি-কচ্ছপতলি যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম এই সড়কের বেক্ষ্যং পাড়া এলাকায় প্রবল বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলে ধসে যাওয়ায় সড়কটি সংস্কার না করার কারনে স্থানীয়দের ভোগান্তির যেন শেষ নেই।
সড়কটিতে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক উম্যাথোয়াই মারমা বলেন,রাস্তার বড় বড় গর্ত দেখলে ভয় লাগে, অনেকে এই সড়কে আর গাড়ি চালায় না।
আরো জানা গেছে, আলেক্ষ্যং ও নোয়াপতং দুই ইউনিয়নের সংযোগ সড়ক থাকার কারণে কচ্ছপতলি এলাকার সড়ক থেকে হাজারো মানুষ ও প্রতিনিয়ত যানবাহন চলাচল করে। ভাঙ্গনের কারনে এই সড়কে যানবাহন চলাচল করতে না পারায় কোমলতি ছাত্র-ছাত্রীদের পায়ের হেঁটে বেক্ষ্যং নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়,রোয়াংছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও রোয়াংছড়ি কলেজের আসতে হয়। এছাড়া রোয়াংছড়ি সদর ও বাজারে আসা যাওয়ায় এলাকার মানুষের ভোগান্তির যেন সীমা নাই।
স্থানীয় সিএনজি চালক তুংফাই তঞ্চঙ্গ্যা জানান,চলাচলের জন্য রাস্তাটির বিকল্প আর কোন সড়ক নেই, বিরাট আকারের গর্তের কারনে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে রাস্তাটি।
রোয়াংছড়ি উপজেলার থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার কচ্ছপতলি যাওয়ার সড়কটির মাটি ধসে যাতায়াতে ব্যাপক ঝুঁকিপূর্ন হলেও সংস্কারের কোন ধরণের পদক্ষেপ গ্রহন না করার কারনে স্থানীয়রা মনে করছে আর কয়েকদিন বৃষ্টি হলে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে।
আলেক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, রাস্তা ধসে যাওয়ার পরপরই মেরামতের জন্য ইউপির পক্ষ থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং এলজিইডি অফিসে আবেদন করেছি, এখনো পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন
2 মন্তব্য
  1. Mañ Îk বলেছেন

    বান্দরবান সদরের ভিত্রের রোড গুলাওতো আবার নষ্ট হই গেছে
    পাহাড়ের থেকে আসা মাটি আর ওয়াসার খোঁড়াখুঁড়ি

    কলেজ থেকে ফায়ার সার্ভিস
    আর কালাঘাটার কথা নতুন করে না বলাই ভাল
    🙂

  2. Ukm Marma বলেছেন

    তারাতারি মেরামত করা উচিত

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।