২৮’শ পরিবারে ত্রাণ পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ নিলেন জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল

দেশের অভাবী জনপদ হিশেবে পরিচিত খাগড়াছড়িতে নানা হাতে নানা মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ চলছে অব্যাহত গতিতে। সেই গতিতে একেবারে ব্যক্তি অর্থায়নে ও উদ্যোগে বড়ো মাপের ত্রাণ বিতরণের নজির খুবই কম বলা চলে।

পদ-পদবী অথবা অর্থ-বিত্ত থাকলেও করোনাকালে নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের ব্যক্তি ত্রাণ তৎপরতা একেবারে সীমিত বললেই চলে। সেই আকালে-অকালে সম্পূর্ণ নিজের সামর্থ্যরে সর্বোচ্চ প্রয়োগ করছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল।

তিনি পনের লক্ষ টাকা ব্যয়ে খাগড়াছড়ি পৌর এলাকার ২৮’শ পরিবারের কাছে দৈনন্দিন প্রয়োজনের ভোগ্যপণ্য পৌঁছে দেয়ার বিশাল এক কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন খাগড়াপুর কমিউনিটি সেন্টারে।

সেখানে গত দুইদিন ধরে চল্লিশজন স্বেচ্ছাসেবী ছাত্র-তরুণ ৫ কেজি চাল, ১ কেজি আলু, আধা কেজি মশুর ডাল, আধা কেজি লবন, ১ লিটার সয়াবিন তেল আর ১ কেজি পিঁয়াজের প্যাকেজ তৈরিতে রাতদিন কাজ করে চলেছেন।

গত বুধবার বিকেলে সরেজমিনে সেই শুভ তৎপরতার খোঁজ নিতে এসেছিলেন খাগড়াছড়ির তরুণ সাংবাদিক ও বেসরকারি ত্রাণ তৎপরতায় যুক্ত নেতৃস্থানীয় সংগঠক অপু দত্ত এবং ক্যাব-খাগড়াছড়ির জেলা সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরী।

তাঁরা জেলা পরিষদ সদস্য পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল’র উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দেশ-জাতির ক্রান্তিকালে এটি নি:সন্দেহে সাহসী পদক্ষেপ। এ ধরনের ইতিবাচক কাজে সবাই সাধ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসলে খাগড়াছড়ি জেলার মানুষের আপদকালীন খাদ্য চাহিদা অনেকটা মিটে যাবে। তাতে সাধারণ মানুষের পক্ষে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক (শারীরিক দূরত্ব) সুরক্ষাও নিশ্চিত হবে।

পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দৈব-দুর্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে তাঁর এবং সরকারের নামেই এসব ত্রাণ বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে বিতরণ শুরু হবে।

তিনি জানান, খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য এবং জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা’র পরামর্শমতে ক্রমান্বয়ে জেলার প্রত্যন্ত জনপদেও সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সাথে সমন্বয় করে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।