পর্যটন বার্তা – PaharBarta.com https://paharbarta.com Chittagong Hill Tracts | Bandarban | Rangamati | Khagrachari Thu, 28 May 2020 06:04:08 +0000 bn-BD hourly 1 চন্দ্রঘোনা মিশন ঘাট বিনোদন প্রেমীদের ভূস্বর্গ https://paharbarta.com/%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8b/ https://paharbarta.com/%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8b/#respond Thu, 28 May 2020 06:04:08 +0000 https://paharbarta.com/?p=69806 রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজারের ব্যবসায়ী রতন ধর, সাধন দত্ত, মিশন হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা যন্ত্রশিল্পি অভিজিৎ, অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক অরবিন্দু ধরের মতো প্রতিদিন কর্নফুলি নদীর নির্মল বাতাস গায়ে মাখতে বিনোদন প্রেমিদের ভীড় লেগে থাকে কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা মিশন হাসপাতাল সংলগ্ন কর্নফুলি নদীর তীর মিশন ঘাট এলাকায়। লুসাই পাহাড় হতে উৎপন্ন সেই ঐতিহাসিক কর্নফুলির নদীর এই এলাকায় […]]]>

রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজারের ব্যবসায়ী রতন ধর, সাধন দত্ত, মিশন হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা যন্ত্রশিল্পি অভিজিৎ, অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক অরবিন্দু ধরের মতো প্রতিদিন কর্নফুলি নদীর নির্মল বাতাস গায়ে মাখতে বিনোদন প্রেমিদের ভীড় লেগে থাকে কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা মিশন হাসপাতাল সংলগ্ন কর্নফুলি নদীর তীর মিশন ঘাট এলাকায়।

লুসাই পাহাড় হতে উৎপন্ন সেই ঐতিহাসিক কর্নফুলির নদীর এই এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড হতে ব্লক নির্মানের ফলে এখন এটা সৌন্দয্যে ভরপুর হয়ে উঠেছে। এক দিকে কর্নফুলি নদীর নির্মল বাতাস আর এক পাশে শতবর্ষী চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতাল, এই দুইয়ের মাঝখানে চন্দ্রঘোনা- কেপিএম সড়কের এই অংশে বিকেলের পর হতে ভরে যায় মানুষের আনাগোনায়। করোনার প্রভাবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে বিনোদনপ্রেমীরা কর্নফুলির সৌন্দর্য উপভোগ করে এই স্থানে।

১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী জানান,তাঁর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মিশন হাসপাতাল সংলগ্ন এই এলাকাটি একসময় সংস্কারবিহীন ছিলো। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে এইখানে ব্লক নির্মানের ফলে এখন এই জায়গায়টা একখন্ড ভূস্বর্গে পরিণত হয়।

চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল এর পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং জানান, প্রতিটি মানুষের জীবনে কর্মব্যস্ততার পর কিছুটা বিনোদনের প্রয়োজন হয়। তাই আশেপাশের জনগণ নিজেকে প্রশান্তি দেবার লক্ষ্যে এই এলাকায় এসে বসে আনন্দ খুঁজে পাই। তবে তিনি সকলকে এই মূহুর্তে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা সহ মুখে মাস্ক পড়ে বসার উপর পরামর্শ দেন।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8b/feed/ 0
করোনায় সুনসান নীরবতা খাগড়াছড়ির পর্যটন কেন্দ্রে https://paharbarta.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97/ https://paharbarta.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97/#respond Tue, 26 May 2020 13:15:37 +0000 https://paharbarta.com/?p=69771 করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর সুনসান নীরব পাহাড়ী জেলার সবকটি পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র। সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ১৯ মার্চ থেকে পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। তার ধারাবাহিকতায় ঈদেও খুলেনি এ দ্বার। এতে চরম দুর্ভোগ ও আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এ খাত সংশ্লিষ্টদের। অন্যান্য বছর ঈদের আগের দিন থেকে খাগড়াছড়ি ও […]]]>

করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর সুনসান নীরব পাহাড়ী জেলার সবকটি পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র। সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ১৯ মার্চ থেকে পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। তার ধারাবাহিকতায় ঈদেও খুলেনি এ দ্বার। এতে চরম দুর্ভোগ ও আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এ খাত সংশ্লিষ্টদের।

অন্যান্য বছর ঈদের আগের দিন থেকে খাগড়াছড়ি ও সাজেকসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণে ভিড় থাকলেও এ বছর তা হয়নি। সরকারের নির্দেশনা ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারির কারণে বন্ধ এসব কেন্দ্র। পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট পরিবহন, হোটেল মোটেল ও খাবার হোটেলের ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন লোকসান গুনছেন লাখ লাখ টাকা। অনেকে ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দেউলিয়া হওয়ার পথে।

সবশেষে চরম হুমকিতে রয়েছে বেসরকারি ভাবে বিনিয়োগকারীরা। ভরা মৌসুমে ব্যবসা বন্ধ থাকায় স্টাফদের বেতন ভাতাসহ অন্যান্য খরচ চালিয়ে নিতে হচ্ছে। সরকারি সহযোগিতা না আসলে বিকাশমান এ খাতে বিনিয়োগে উদ্যোক্তারা মুখ ফিরিয়ে নিবে বলে মনে করছেন অনেকে।

মায়াবিনী লেক পরিচালনা কমিটির সভাপতি অংহ্লা মারমা জানান, বৈসাবি ও ঈদে আমরা যে পরিমাণ পর্যটক পেতাম তা পুরো বছরের অর্ধেক। করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর এ দুই মৌসুম কাজে লাগানো যায়নি। এতে করে এ কেন্দ্র চালাতে হিমশিম খেতে হবে। স্টাফদের বেতন ও অন্যান্য খরচ চালাতে হচ্ছে। ৩ মাসে ৬ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে। এখন যদি সরকার আমাদের পাশে না দাঁড়ায় তাহলে ঘুরে দাঁড়ানো যাবে না।

জেলা পরিষদ পার্কের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান জানান, নিজের জমানো কিছু ও পরিচিত জনদের কাছ থেকে ধার নিয়ে এ বছরের শুরুতে দোকান দিয়েছেন। শুরুতে ব্যবসা ভাল চললেও তিন মাস বন্ধ। এখন ধারের টাকা দিতে ও সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়ার উপক্রম। একদিকে ব্যবসা বন্ধ অন্যদিকে দোকানে থাকা মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এক অনিশ্চয়তা অপেক্ষা করছে জানিয়ে সরকারের সহযোগিতা চান তিনিও।

পরিবহণ চালক আবদুল মান্নান জানান, ৩ মাস ধরে আয় রোজগার বন্ধ। কি ভাবে কাটছে আমাদের দিন কেউ খবর নেয় না।

খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম সালাহউদ্দিন জানান, পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে যেন কেউ প্রবেশ না করে সে দিকে নজরদারি রয়েছে। পুলিশ মোতায়ন রয়েছে অনেক কেন্দ্রের প্রবেশমুখে।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97/feed/ 0
ঈদে মুখরিত হবে না কাপ্তাইয়ের বিনোদন স্পট https://paharbarta.com/%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%87/ https://paharbarta.com/%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%87/#respond Mon, 25 May 2020 05:08:53 +0000 https://paharbarta.com/?p=69742 রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত কাপ্তাই উপজেলা। কাপ্তাইয়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দেশের অন্যতম বৃহত্তম লেক, রয়েছে উঁচু-নিচু পাহাড়, পাহাড়ের পাশে বয়ে যাওয়া আঁকাবাঁকা শীতল জলের কর্ণফুলী নদী, নদী ধারে গড়ে উঠা অনেক পর্যটন কেন্দ্র। প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকের ঢ়ল নামলেও এইবার পর্যটক শূণ্য হয়ে হাহাকার করবে পর্যটন কেন্দ্র গুলো। অবশ্য ইতিমধ্যে বিশ্ব করোনা ভাইরাস সংক্রমন […]]]>

রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত কাপ্তাই উপজেলা। কাপ্তাইয়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দেশের অন্যতম বৃহত্তম লেক, রয়েছে উঁচু-নিচু পাহাড়, পাহাড়ের পাশে বয়ে যাওয়া আঁকাবাঁকা শীতল জলের কর্ণফুলী নদী, নদী ধারে গড়ে উঠা অনেক পর্যটন কেন্দ্র।

প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকের ঢ়ল নামলেও এইবার পর্যটক শূণ্য হয়ে হাহাকার করবে পর্যটন কেন্দ্র গুলো। অবশ্য ইতিমধ্যে বিশ্ব করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধ করতে গিয়ে সরকারি নির্দেশ মোতাবেক গত ২৫ মার্চ থেকে দেশের সবধরনের পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কাপ্তাইয়ে রয়েছে অনেক জনপ্রিয় পর্যটন স্পটসমূহ যেখানে কাপ্তাই ছাড়াও রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকের আগমন ঘটতো ঈদ উপলক্ষে। কিন্তু এইবার যেন অন্য রকম একটা সময় যেটি এর আগে কখনও কাপ্তাইয়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর ইতিহাসে আসেনি। কারণ এই প্রথম ঈদে পর্যটক শূণ্য হয়ে হাহাকার করবে কাপ্তাইয়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলি। প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে কেন্দ্রগুলোতে হাজার হাজার পর্যটকদের আগমনের আনন্দে প্রাণ ফিরে পেলেও এইবার সেই স্পট গুলো পর্যটক শূণ্য হয়ে থাকবে প্রাণহীন।

আর শুধু তাই নয় এই ঈদ উপলক্ষেই পর্যটকের আগমনে অনেক টাকা আয় হতো কাপ্তাই পর্যটনকেন্দ্র গুলোর। কিন্তু এইবার আয় তো হচ্ছেই না বরং করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে পর্যটন কেন্দ্রগুলো প্রায় ২ মাসের অধিক সময় বন্ধ থাকার ফলে গুনতে হচ্ছে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি। যার প্রভাব বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে ও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

কাপ্তাই উপজেলায় বেশ কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম কাপ্তাই প্রশান্তি পার্ক, জুম রেস্তোরা, বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্র, লেক প্যারাডাইস, লেকশোর পিকনিক স্পট, জীপতলি পিকনিক স্পট, বেরাইন্না লেক, লেকভিউ আইলেন্ডসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় পর্যটন স্পট।

কাপ্তাই শিলছড়ি বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্রের ব্যবস্হাপনা পরিচালক প্রকৌশলী রুবাইয়াৎ আক্তার জানান, করোনা ভাইরাসের ফলে প্রায় ৩ মাস হলো বনশ্রীসহ কাপ্তাইয়ে সব কয়টি পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। প্রতি বছর ঈদে কাপ্তাইয়ে হাজার হাজার পর্যটক কাপ্তাইয়ে আসতো। এবার সেই সম্ভাবনা নেই, ফলে লাখ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে পর্যটন কেন্দ্রগুলো।

এদিকে কাপ্তাইয়ের প্রশান্তি পিকনিক স্পট এর পরিচালক কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন জানান, কাপ্তাইয়ের অপরুপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে পর্যটন মৌসুম ছাড়াও সারা বছর পর্যটকদের আনাগোনা হতো। বিশেষ করে ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢ়ল নামতো। কিন্ত এইবার পর্যটক শূণ্য থাকবে কাপ্তাই। ফলে আমরা বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হবো।

কাপ্তাই ফোরামের এডমিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এ আর লিমন জানান, নয়নাভিরাম কাপ্তাই লেক, কর্নফুলি নদী, পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কেপিএম মিল, সীতাপাহাড়, ওয়াগ্গা চা বাগান, চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার সহ কাপ্তাইয়ের প্রতিটি পড়তে পড়তে লুকিয়ে আছে সৌন্দর্য্য। তাই তো সারা বছর কাপ্তাইয়ে পর্যটকের আনাগোনা থাকতো, কিন্তু এবার করোনা ভাইরাসের প্রকোপে কাপ্তাই পর্যটন শূণ্য থাকবে।

তবে একদিন সেই মেঘ কেটে যাবে, আবার উঠবে সোনালী সূর্য, আবার কোলাহল হবে কাপ্তাইয়ের প্রতিটি বিনোদন স্পট, সকলে সেই প্রত্যাশা করছে।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%87/feed/ 0
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবানের পর্যটন শিল্প https://paharbarta.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6/ https://paharbarta.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6/#respond Thu, 07 May 2020 13:16:10 +0000 https://paharbarta.com/?p=69113 করোনার প্রভাবে টানা বন্ধে হুমকির মুখে পড়েছে বান্দরবানের পর্যটন শিল্প। লকডাউন দীর্ঘমেয়াদি হওয়াতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জেলার পর্যটনখাত, ক্ষতি পুষিয়ে আগামী দিনে নতুনভাবে এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারের কাছে প্রণোদনার আবেদন জানিয়েছে জেলার পর্যটন ব্যবসায়ীরা। করোনা সংক্রামন প্রতিরোধে গত ১৮মার্চ থেকে জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেয় জেলা প্রশাসন। আর এই লকডাউনের […]]]>

করোনার প্রভাবে টানা বন্ধে হুমকির মুখে পড়েছে বান্দরবানের পর্যটন শিল্প। লকডাউন দীর্ঘমেয়াদি হওয়াতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জেলার পর্যটনখাত, ক্ষতি পুষিয়ে আগামী দিনে নতুনভাবে এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারের কাছে প্রণোদনার আবেদন জানিয়েছে জেলার পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

করোনা সংক্রামন প্রতিরোধে গত ১৮মার্চ থেকে জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেয় জেলা প্রশাসন। আর এই লকডাউনের কারণে জেলার পর্যটন কেন্দ্র, হোটেল মোটেল আর পর্যটকবাহী যান চলাচল সম্পূর্ণ রুপে বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে পর্যটন জেলা বান্দরবানে লকডাউনের কারণে পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িতরা পড়েছে চরম দুর্ভোগে। পর্যটন শিল্প নিয়ে যারা আয় রোজগার করে সংসার চালাতো দীর্ঘ বন্ধে তাদের সংসারে দেখা দিয়েছে অভাব আর অনটন।

বান্দরবানে পর্যটকবাহী গাড়ীর চালক মো:কামাল জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমরা গাড়ী চালাতে পারছি না, তাই আমাদের আয় নেই, আমরা অনেক কষ্টে দিনযাপন করে যাচ্ছি।

বান্দরবানে পর্যটকবাহী গাড়ীর চালক বাপ্পী বড়ুয়া বলেন, বান্দরবানে আমরা পর্যটকদের নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করি। পর্যটক আসলে আমরা তাদের গাড়ী করে বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ঘুরে বেড়ানোর জন্য সময় ব্যয় করি এবং ভালো আয় করে জীবনযাপন করি, কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে করোনার কারণে আমাদের আয় নেই।

বান্দরবান মাইক্রোবাস জীপ কার শ্রমিক ইউনিয়নের আহবায়ক মো:আলমগীর বলেন, করোনায় আমাদের প্রায় ৪শত পর্যটকবাহী গাড়ী বন্ধ রয়েছে, আর এই কারণে এই পেশার সাথে জড়িতদের পরিবারে আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে।

মো:আলমগীর আরো বলেন, আমরা এই করোনা সংকটে বান্দরবানের কিছু সংগঠন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য পরিমান ত্রাণ পেয়েছি যা দিয়ে আমাদের পরিবারের এই দু:সময় কাটানো সম্ভব নয়।

লকডাউনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে হোটেল মোটেল ব্যবসায়ীরা আর এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের কাছে প্রণোদনার আবেদন জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা।

বান্দরবানের আবাসিক হোটেল হিলভিউ এর জিএম মো:সুলতান নাফিজ বলেন, প্রতিমাসে আমাদের হোটেল ব্যয় প্রায় ২০লক্ষ টাকা কিন্তু এখন করোনায় লকডাউনের কারণে পর্যটক না আসায় আমরা এই ক্ষতি কিভাবে মেটাবো তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছি।

বান্দরবান হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি অমল কান্তি দাশ বলেন, জেলার অধিকাংশ মানুষ পর্র্যটন শিল্পের মাধ্যমে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে কিন্তু এই করোনায় সবাই বেকার এবং আয় বন্ধ থাকায় সংসার চালাতে তাদের কষ্ট হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, অধিকাংশ ব্যবসায়ী পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, তাদের কেউ কেউ আবার ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে হোটেল-মোটেল নির্মাণ এবং উন্নয়নে কাজ করলেও এমন স্থবির পরিস্থিতির কারণে তাদের অনেকে বর্তমানে লোকসান গুনছে, তাই সরকারিভাবে জরুরী ভাবে প্রণোদনা প্রদান করলে এই শিল্পের সাথে জড়িতরা এগিয়ে যেতে পারবে।

এদিকে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো:দাউদুল ইসলাম জানায়, বর্তমান সরকার পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্য নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং আগামীতে সরকারের পক্ষ থেকে কোন নির্দেশনা প্রদান করা হলে আমরা তা সঠিকভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো।

প্রসঙ্গত, বান্দরবান জেলায় ৬০টি হোটেল মোটেল রয়েছে, আর পর্যটকবাহী যান রয়েছে প্রায় ৪ শতাধিক। এই পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত জেলার প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6/feed/ 0
বান্দরবানে পর্যটনস্পট বন্ধের কারনে দৈনিক ক্ষতি ৪ কোটি টাকা https://paharbarta.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%a8/ https://paharbarta.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%a8/#respond Sat, 21 Mar 2020 11:04:12 +0000 https://paharbarta.com/?p=66791 করোনার আতংকে বান্দরবান জেলার সব হোটেল মোটেল ও পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ফলে পর্যটকদের আগমন বন্ধ থাকায় একদিকে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ে দৈনিক ক্ষতি হচ্ছে অন্তত ৪ কোটি টাকা,অন্যদিকে বেকার হয়ে পড়বে হাজার হাজার মানুষ। সূত্রে জানা যায়,বান্দরবানের ব্যবসা বাণিজ্য সব কিছু পর্যটদের উপর নির্ভরশীল, এখন পর্যটক আসা বন্ধ। ব্যবসায়িরা জেলা শহরের […]]]>

করোনার আতংকে বান্দরবান জেলার সব হোটেল মোটেল ও পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ফলে পর্যটকদের আগমন বন্ধ থাকায় একদিকে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ে দৈনিক ক্ষতি হচ্ছে অন্তত ৪ কোটি টাকা,অন্যদিকে বেকার হয়ে পড়বে হাজার হাজার মানুষ।

সূত্রে জানা যায়,বান্দরবানের ব্যবসা বাণিজ্য সব কিছু পর্যটদের উপর নির্ভরশীল, এখন পর্যটক আসা বন্ধ। ব্যবসায়িরা জেলা শহরের শত শত পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দোকান খুলে বসে থাকলে ক্রেতার দেখা নেই। যার ফলে দোকান ভাড়া ও কর্মচারীর বেতন দিতে পারবে কিনা শংখা প্রকাশ করেছে অনেকে। আবার কোন কোন প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ছাটাইয়ের কারনে বেকার হতে বসেছে অনেকে। একই দৃশ্য জেলা শহরের শতাধিক হোটেল,মোটেল,রেস্টুরেন্ট ও কুটির শিল্পের দোকান ও পরিবহন সেক্টরে।

বান্দরবান জীপ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহ সভাপতি মো. হারুন বলেন, পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়ার ফলে পর্যটকবাহী ৪ থেকে ৫ শত গাড়ী এখন বসে আছে, ফলে কি পরিমান আর্থিক ক্ষতির মুখে আমরা তা নিরুপন করা যাবেনা।

আরো জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত ১৯ মার্চ থেকে জেলার সব হোটেল মোটেল ও পর্যটন স্পট বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছে আবাসিক হোটেল মোটেল, রেস্টুরেন্ট মালিকরা। জেলার হোটেল-মোটেলগুলোর গ্রাহকদের ৯০ ভাগ পর্যটকরা হলেও এখন পর্যটক না থাকায় চরম লোকসানের মুখে হোটেল মোটেল মালিকরা।

বান্দরবানের হোটেল হিলভিউ এর জেনারেল ম্যানেজার সুলতান নাফিজ মাহমুদ বলেন,করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে নির্দেশনার কারনে পর্যটকদের হোটেল ত্যাগ করার নির্দেশনা প্রদান করি, ফলে পর্যটন না থাকায় হোটেলে শূন্যতা বিরাজ করছে।

আরো জানা গেছে, জেলার মেঘলা, নীলাচল, নীলগীরি, শৈল প্রপাত, প্রান্তিক লেক,চিম্বুক, স্বর্ণমন্দির, শুভ্রনীলা, নীলদিগন্ত, মিরিঞ্জা, বগালেক, কেউক্রাডং, রিজুক, নাফাখুম, তিনাপ সাইতার, বড় মদক,ছোট মদকসহ অর্ধ শতাধিক পর্যটন স্পট রয়েছে। এগুলো বন্ধ থাকার ফলে প্রভাব পড়েছে ব্যবসা বাণিজ্যে ও পর্যটকবাহী যানবাহনে।

পর্যটকবাহী যানবাহন চালক নাজির উদ্দিন বলেন, করোনার জন্য পর্যটক আসা বন্ধ করে দেয়ার ফলে বান্দরবান এখন পর্যটক শূন্য। আমরা সবাই বেকার, বুঝতে পারছি না কখন এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবো।

এদিকে বান্দরবানের থানচি উপজেলার নাফাখুম,রেমাক্রি,বড় মদক,ছোট মদকসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে যেতে ২শ ইঞ্জিন চালিত বোট ব্যবহার হলেও কার্যত পর্যটক বন্ধ থাকায় বেকার সময় কাটছে বোট চালকদের। থানচির পর্যটনস্পটে ও রুমা উপজেলার, রিঝুক ঝর্ণা, বগালেক, কেউক্রাডংয়ে পর্যটকদের জন্য ১৫০জন নিবন্ধিত গাইড থাকলেও বেকার সময় কাটছে তাদের।

নিজেদের বেকারত্বের কথা বলতে গিয়ে থানচি উপজেলার ট্যুরিষ্ট গাইড জওয়াই প্রু মার্মা বলেন,বর্তমান পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে, বেঁচে থাকলে টাকা আয় করা যাবে, আমরা পরবর্তী নির্দেশের অপেক্ষায় আছি।

এদিকে বান্দরবান হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো সিরাজুল ইসলাম বলেন, পর্যটন সংশ্লিষ্ট সবকিছু বন্ধ থাকার কারনে দৈনিক ক্ষতি হচ্ছে অন্তত ৪ কোটি টাকা। হোটেল কর্মরত প্রায় ১ থেকে দেড় হাজার কর্মচারী এখন বেকারত্বের মধ্যে অবস্থান করছে।

তবে করোনা সংকট কাটিয়ে উঠে জেলার পর্যটনস্পট ফের পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলেও এই ব্যাপারে ব্যাপক প্রচার ও প্রচারনা চালানো হলেই কেবল আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে বলে মনে করছে পর্যটনের সাথে সংশ্লিষ্টরা।

বান্দরবান ট্যুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আমিনুল হক বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ব্যবসায়িদের সাথে বসে পর্যটন শিল্পের লোকসান কাটাতে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হবে।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%a8/feed/ 0
বান্দরবানে পর্যটকদের সুবিধার্থে অভ্যর্থনা কক্ষ স্থাপন https://paharbarta.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%81-2/ https://paharbarta.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%81-2/#respond Fri, 13 Mar 2020 15:26:11 +0000 https://paharbarta.com/?p=66498 বান্দরবানে প্রতিদিনই চলমান রয়েছে পর্যটকদের উন্নয়নের জন্য নানান প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ, এরই ধারাবাহিকতায় জেলার রুমা উপজেলার সেনানিবাস সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের সুবিধার্থে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের বাস্তবায়নে শুরু হচ্ছে একটি অভ্যর্থনা কক্ষ স্থাপনের কাজ। ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান ইউনিট কাজটি সম্পন্ন করবে। এদিকে আজ শুক্রবার (১৩মার্চ) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম […]]]>

বান্দরবানে প্রতিদিনই চলমান রয়েছে পর্যটকদের উন্নয়নের জন্য নানান প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ, এরই ধারাবাহিকতায় জেলার রুমা উপজেলার সেনানিবাস সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের সুবিধার্থে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের বাস্তবায়নে শুরু হচ্ছে একটি অভ্যর্থনা কক্ষ স্থাপনের কাজ। ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান ইউনিট কাজটি সম্পন্ন করবে।

এদিকে আজ শুক্রবার (১৩মার্চ) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অভ্যর্থনা কক্ষের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।

এসময় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি অভ্যর্থনা কক্ষের নির্মাণ কাজের খোঁজ খবর নেন এবং পর্যটকদের সুবিধার জন্য রুমা উপজেলার প্রবেশ মুখে এই ধরণের অভ্যর্থনা কক্ষ নির্মাণ করায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি, রুমা জোনের উপ অধিনায়ক মেজর যুবায়ের শফিক (পিএসসি),অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো:শামীম হোসেন,রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:শামসুল আলম,রুমা উপজেলা চেয়ারম্যান উহ্লা চিং মারমা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো:কামরুজ্জামান,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আশীষ কুমার বড়ুয়া,সদস্য পরিকল্পনা ড.প্রকাশ কান্তি চৌধুরী,পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ফিলিপ ত্রিপরা,ম্রাসা খেয়াং,তিং তিং ম্যা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক মো:আব্দুল আজিজ,নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মো:ইয়াছিন আরাফাতসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%81-2/feed/ 0
কর্মসংস্থানের বড় জায়গা হবে পর্যটন শিল্প https://paharbarta.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%9c-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%b9/ https://paharbarta.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%9c-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%b9/#respond Mon, 09 Mar 2020 13:50:36 +0000 https://paharbarta.com/?p=66427 বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদ আহমেদ জানান, ট্যুরিজম অর্থনীতির জন্য বড় শক্তি । দেশের অর্থনীতির আকার বেড়েছে । আর অর্থনীতি আকার যদি বাড়ে কোন না কোনভাবে যে কেউ উপকৃত হয় । আর শক্তিশালী পর্যটন ব্যবস্থা বাড়াবে কর্মসংস্থান । সোমবার দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসক মিলানায়তনে পর্যটন শিল্পের বিকাশে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন শীর্ষক মাঠ কর্মশালায় […]]]>

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদ আহমেদ জানান, ট্যুরিজম অর্থনীতির জন্য বড় শক্তি । দেশের অর্থনীতির আকার বেড়েছে । আর অর্থনীতি আকার যদি বাড়ে কোন না কোনভাবে যে কেউ উপকৃত হয় । আর শক্তিশালী পর্যটন ব্যবস্থা বাড়াবে কর্মসংস্থান ।

সোমবার দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসক মিলানায়তনে পর্যটন শিল্পের বিকাশে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন শীর্ষক মাঠ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো: দাউদুল ইসলাম ।

তিনি আরো বলেন, যেভাবে অর্থনীতি বাড়ছে সেভাবে কর্মসংস্থান বাড়ছে না। দেশ ডিজিটালাইজড হচ্ছে । আর ডিজিটালাইজড হওয়ার কারণে ঐতিহ্যগতভাবে অনেক জব চোখের সামনে হারিয়ে যাবে। তখন এদের কর্মসংস্থানের কি হবে ? এখন বেশিরভাগ বিদেশি রাষ্ট্রগুলো দেশ থেকে বিভিন্ন খাতে লোক নিচ্ছে না।

তিনি বলেন, দেশে পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা আছে। পর্যটনকে যদি শিল্প হিসেবে দাঁড় করানো যায় তাহলে এই খাতে কর্মসংস্থানের একটা বড় জায়গা হবে। তবে এই খাতের জন্য প্রয়োজন মহাপরিকল্পনার। সকলে সমন্বিতভাবে কাজ করলে এই খাতকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভাব ।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যটন বিষয়ক পড়াশুনা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে ২২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যটন নিয়ে পড়াশোনা হচ্ছে, এদের বেশির ভাগই চাকরি নিয়ে হতাশাগ্রস্ত। আর এই শিল্প দাঁড়িয়ে গেলে এই হতাশা আর থাকবে না ।

এর আগে সকালে ১ম অধিবেশনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম কাউছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: কামরুজ্জামন । বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক সাইফুল ইসলাম, পরমার্শক দলের প্রধান বেঞ্জামিন কেরি ।

এ সময় প্রথম পর্যায়ে পাহাড়ের পর্যটন শিল্পের বর্তমান অবস্থা, এর শক্তি কতটুকু, দুর্বলতা কোথায়, সম্ভাবনা কেমন, কোন ধরনের সংকট রয়েছে তা নিয়ে আলোকপাত করেন বক্তারা।

এছাড়াও পর্যটন উন্নয়নের সাথে অনেক সেক্টরের উন্নয়ন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত। পর্যটন উন্নয়ন হলে পরিবহন সেক্টর, হোটেল মোটেল, রেস্টুরেন্ট, কারুপণ্য ইত্যাদি বিকশিত হবে। কর্মসংস্থান হবে বিপুল সংখ্যক মানুষের জানান বক্তারা ।

এ সময় বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন ।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা থেকে মহাপরিকল্পনার কাজ প্রথম শুরু হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা ।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও বান্দরবান জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে দিনব্যাপী এই কর্মশালায় অনুষ্ঠিত হয় ।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%9c-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%b9/feed/ 0
বান্দরবানে পর্যটকদের জন্য ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে চালু হচ্ছে ট্যুরিষ্ট বাস https://paharbarta.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d/ https://paharbarta.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d/#respond Tue, 25 Feb 2020 15:06:04 +0000 https://paharbarta.com/?p=66220 বান্দরবানে ভ্রমনে আসা পর্যটকদের জন্য চালু হচ্ছে ট্যুরিষ্ট বাস। হোটেল হিলভিউ এর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই বাস এখন পর্যটকদের নিয়ে প্রতিদিন সকালে বান্দরবানের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র নীলগিরির উদ্দ্যেশে হোটেল ছাড়বে সকাল ৭টায়, আবার দিন শেষে ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের নিয়ে বিকাল ৫ টায় বান্দরবানের উদ্যোশে ফেরত আসবে। বান্দরবান হোটেল হিলভিউ এর কর্ণধার কাজল কান্তি দাশ জানান, […]]]>

বান্দরবানে ভ্রমনে আসা পর্যটকদের জন্য চালু হচ্ছে ট্যুরিষ্ট বাস। হোটেল হিলভিউ এর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই বাস এখন পর্যটকদের নিয়ে প্রতিদিন সকালে বান্দরবানের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র নীলগিরির উদ্দ্যেশে হোটেল ছাড়বে সকাল ৭টায়, আবার দিন শেষে ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের নিয়ে বিকাল ৫ টায় বান্দরবানের উদ্যোশে ফেরত আসবে।

বান্দরবান হোটেল হিলভিউ এর কর্ণধার কাজল কান্তি দাশ জানান, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ( বৃহস্পতিবার ) সকাল ৯ টায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে হোটেল হিলভিউ এর ট্যুরিষ্ট বাসের শুভ উদ্বোধন করবেন। এরপরই যথারীতি প্রতিদিন বান্দরবান থেকে পর্যটন কেন্দ্র নীলগিরির উদ্যোশে এই টুরিস্ট বাস চলাচল শুরু করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো:দাউদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেরিন আখতার ,পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী ,পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর,বান্দরবান পরিবহন মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি আবদুল কুদ্দুছসহ প্রমুখ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

কাজল কান্তি দাশ আরো জানান,নতুন এই ট্যুরিষ্ট বাস চালু হলে পর্যটকদের ভোগান্তী অনেক কম হবে। হোটেল থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টায় হোটেলের অতিথিরা ২টি বাসের মাধ্যমে নীলগিরির পথে যাত্রা করবে এবং যাত্রা পথে শৈলপ্রপাত পর্যটন কেন্দ্র,চিম্বুক পর্যটন কেন্দ্র ও সর্বশেষ নীলগিরি গিয়ে উপস্থিত হবে এবং সারাদিন ভ্রমন শেষে বিকাল ৫ টায় আবার বান্দরবান হোটেলের পথে ফেরত আসবে।

তিনি আরো জানান, আধুনিক সুবিধা সম্বলিত এই ২টি এসি বাস আশা করি পর্যটকদের ভ্রমনে স্বাছন্দ এনে দিবে এবং এই এসি বাস ভ্রমন করে পর্যটকরা নিরাপদে ভ্রমন করতে পারবে।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d/feed/ 0
পর্যটকদের ফেলা প্লাষ্টিকে রুপ হারাচ্ছে বান্দরবানের পর্যটনস্পটগুলো https://paharbarta.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95/ https://paharbarta.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95/#respond Sat, 15 Feb 2020 07:36:45 +0000 https://paharbarta.com/?p=66031 প্রাকৃতি তার সব রুপ দিয়ে বান্দরবানের প্রাকৃতিক পরিবেশকে সাজিয়েছে। আর এই রুপের টানে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক বান্দরবান ভ্রমনে আসলেও তাদের অসেচতনতার কারনে নষ্ট হচ্ছে বান্দরবানের পর্যটনস্পটগুলোর প্রাকৃতিক পরিবেশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার থানচির পর্যটন স্পট নাফাখুম, আমিয়াখুম, বেলাখুম, সাতভাইখুম, রেমাক্রীমুখ পাথরসিঁড়ি, রুমা উপজেলার,রিঝুক, বগালেক, লামার মিরিঞ্জা, খোদ জেলা সদরের নিলাচল, মেঘলা, প্রান্তিক লেক […]]]>

প্রাকৃতি তার সব রুপ দিয়ে বান্দরবানের প্রাকৃতিক পরিবেশকে সাজিয়েছে। আর এই রুপের টানে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক বান্দরবান ভ্রমনে আসলেও তাদের অসেচতনতার কারনে নষ্ট হচ্ছে বান্দরবানের পর্যটনস্পটগুলোর প্রাকৃতিক পরিবেশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার থানচির পর্যটন স্পট নাফাখুম, আমিয়াখুম, বেলাখুম, সাতভাইখুম, রেমাক্রীমুখ পাথরসিঁড়ি, রুমা উপজেলার,রিঝুক, বগালেক, লামার মিরিঞ্জা, খোদ জেলা সদরের নিলাচল, মেঘলা, প্রান্তিক লেক শৈল প্রপাত, রাম জাদিসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে উপভোগের সময় ভ্রমনকারী পর্যটকরা যেখানে সেখানে পলিথিন, প্লাষ্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, যত্রতত্রভাবে ফেলে প্রাকৃতি পরিবেশকে মারাত্বকভাবে নষ্ট করছে।

আরো জানা গেছে, জেলা শহরের মেঘলা, নীলাচলসহ কয়েকটি স্পটে আবর্জনা ফেলার জন্য ডাস্টবিন থাকলেও উপজেলাগুলোর পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ময়লা-আবর্জনা ফেলার ডাস্টবিন নেই। কিন্তু পর্যটকরা সব পর্যটনস্পটগুলোতে যততত্র প্লাষ্টিক ময়লা আবর্জনা ফেলার কারনে দূসর হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ।

থানচি উপজেলার রেমাক্রী মুখ পাথর সিঁড়িতে ভ্রাম্যমান দোকান ব্যবসায়ী উশৈমং মারমা বলেন, পর্যটক ও স্থানীয়রা ব্যাগভর্তি পলিথিন, প্লাষ্টিকের বোতল, চিপস প্যাকেট ইত্যাদি নিয়ে আসে এবং খাওয়ার পর যেখানে সেখানে ফেলে দেয়, ফলে প্রাকৃতি তার রুপ হারাচ্ছে।

গত ২৭ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্ত্রী বান্দরবান শহরের নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমনে আসে। এসময় তারা পুরো নীলাচল জুঁড়ে প্লাষ্টিক ও কাগজ ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেললে বান্দরবানের স্থানীয়রা সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ করে।

এই ব্যাপারে বান্দরবানের ছাত্র রাজীব রাহাত বলেন, তারা যেভাবে নীলাচলকে নোংরা করেছে, সৌন্দর্য বাজায় রাখার শিক্ষাটা না দিতে পারলে কোন প্রতিষ্ঠানের উচিত নয় শিক্ষা সফরে আসা।

আরো জানা গেছে, অধিকাংশ পর্যটক সাঙ্গু নদী পথে বান্দরবানের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র থানচি উপজেলায় নাফাখুম, রেমাক্রি, বড় পাথর, ছোট মদক, বড় মদক এবং রুমা উপজেলার রিঝুক ভ্রমনে যান। এসময় নদীতে এসব ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারনে নদীতে থাকা বড় বড় পাথরের সাথে আটকে গিয়ে একদিকে যেমন নদীর জ্বলজ প্রাণী প্রান হারাচ্ছে, অন্যদিকে জ্বলজ উদ্ভিদ বিকশিত হতে পারছেনা।

পর্যটন স্পট ছোট মদকের ব্যবসায়ি মং প্রু মার্মা বলেন, এখানে যারা আসনে তারা সবাই শিক্ষিত কিন্তু তারা যেভাবে যত্রতত্র প্লাষ্টিক ফেলেন তাতে মনে হয় তারা প্রাকৃতি আর পরিবেশ নিয়ে একটুকুও সচেতন নয়।

এই ব্যাপারে থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল হক মৃদুল বলেন, উপজেলার কিছু কিছু পর্যটন স্পটে আমরা প্রাকৃতিক রুপেই রাখতে চাই,সেখানে কোন অবকাঠামো হবেনা। তবে এই বিষয়ে পর্যটকদের সচেতন হতে হবে।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95/feed/ 0
নিসর্গপ্রেমীদের কাছে টানছে খাগড়াছড়ির আলুটিলার খ্রাসাং রিসোর্ট https://paharbarta.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8/ https://paharbarta.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8/#respond Wed, 29 Jan 2020 08:05:09 +0000 https://paharbarta.com/?p=65680 খাগড়াছড়িতে খুব দ্রুতগতিতে বাড়ছে পর্যটন সম্ভাবনা। গত এক দশকে পাহাড়ের ভূ-স্বর্গ খ্যাত ‘সাজেক’-কে ঘিরে খাগড়াছড়ি শহরে আবাসিক হোটেল-রেস্টুরেন্ট আর পরিবহন খাতে বেড়েছে বিপুল বেসরকারি বিনিয়োগ। তবে এতোকিছুর পরও শূন্যতা ছিলো বেসরকারি পর্যটন কেন্দ্রের। এবার সেই ঘাটতি পূরণে এবং ভৌগলিক-নিসর্গ আর জন বৈচিত্র্যের জনপদ খ্যাত খাগড়াছড়ির উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে মাঠে নেমেছেন, খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল […]]]>

খাগড়াছড়িতে খুব দ্রুতগতিতে বাড়ছে পর্যটন সম্ভাবনা। গত এক দশকে পাহাড়ের ভূ-স্বর্গ খ্যাত ‘সাজেক’-কে ঘিরে খাগড়াছড়ি শহরে আবাসিক হোটেল-রেস্টুরেন্ট আর পরিবহন খাতে বেড়েছে বিপুল বেসরকারি বিনিয়োগ। তবে এতোকিছুর পরও শূন্যতা ছিলো বেসরকারি পর্যটন কেন্দ্রের। এবার সেই ঘাটতি পূরণে এবং ভৌগলিক-নিসর্গ আর জন বৈচিত্র্যের জনপদ খ্যাত খাগড়াছড়ির উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে মাঠে নেমেছেন, খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা নিজেই।

আলুটিলায় তাঁর নিজ মালিকানার ১০ একর পাহাড়ি টিলাভূমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন সর্বোচ্চ নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত পর্যটন কেন্দ্র ‘খ্রাসাং রিসোর্ট’। ত্রিপুরা জাতি সত্তার ভাষার ‘খ্রাসাং ’-এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো মনের প্রশান্তি। আলুটিলা পর্যটন-রহস্যময় গুহা এবং তেরাংতৈবাকলাই (রিছাং ঝরণা) সংলগ্ন খ্রাসাং রিসোর্ট অবস্থানগত কারণে মাত্র একমাসের মধ্যেই লাভ করেছে বিপুল জনপ্রিয়তা।

সরেজমিনে জেলা শহরের অনতিদূরে সুউচ্চ আলুটিলা পাহাড় চূড়ার ‘খাস্রাং’-এ গেলে চোখে পড়বে নির্মল মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ। এর মাঝে গড়ে উঠা এই বিনোদন কেন্দ্রে রয়েছে পর্যটকদের জন্য অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা। নানা রঙের বাহারি ফুল-পাতা আর পরিকল্পিত আলোকায়ন আর নান্দনিক কটেজ। পূর্ব-উত্তর দিকে চোখের সীমানায় দেখা যাবে পুরো খাগড়াছড়ি সর্পিল চেঙ্গী পাড়ের খাগড়াছড়ি শহর। অনেকটা পাখির চোখে দেখার মতো হয়ে সন্ধ্যায় মনে হবে এ এক নয়া দার্জিলিং। আর পশ্চিমে যতদূর চোখ যাবে, চোখের সীমানাজুঁড়ে পাহাড় আর পাহাড়। সন্ধ্যায় দেখতে পাবেন ভারতীয় সীমান্তের উচ্চ আলোর হেলোজেন বাতির মিছিল। যা সত্যিই ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য অন্য এক প্রশান্তির জায়গা। পাহাড়ের বুক চিড়ে রয়েছে পাথর এবং সবুজ পাহাড়ের গাছ-গাছালিতে পাখির কল -কাকলি।

খাগড়াছড়ির অপরুপ খ্রাসাং রিসোর্ট

খ্রাসাং বিনোদন কেন্দ্র ও রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা সহকারি লিটন ভট্টাচার্য্য রানা জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা তার ১০ একর জায়গার ওপর ব্যক্তিগত প্রচেষ্ঠায় গড়ে তুলেছেন খ্রাসাং রিসোর্ট ও বিনোদন কেন্দ্র। এখানে রয়েছে অসংখ্য সুদৃশ্য কটেজ প্রতিটিতে গড়ে ৮/১০ জনের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া আছে একটি হলরুম, যেখানে ১০০ জনের সভা-সেমিনার ও অনুষ্ঠান করা যাবে। রিসোর্টে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক রাখা হয়েছে যেখানে পর্যটকরা ভাড়ায় এগুলো পরে ছবি তোলার পাশাপাশি পাহাড়ি জনজীবনের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। পর্যটকদের রাতে থাকার জন্য তৈরি হচ্ছে একটি হোটেল।

খ্রাসাং -এর আরেক সহকারি জেসমিন ত্রিপুরা কার্ত্তিক জানান, তাঁদের বিনোদন কেন্দ্রটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। ফলে প্রতিদিনই কয়েক’শ দর্শনার্থীর সমাগম ঘটছে। আর পিকনিক পার্টিও পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ‘গেট টুগেদার’ তো লেগেই আছে। ক্রেতার আগ্রহের কারণে এক মাসের মধ্যেই বাড়তি লোকবলের প্রয়োজন পড়েছে। যদিও খ্রাসাং -এ শুরু থেকেই পাঁচজন লোকবল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।

পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরী জানান, আলুটিলায় সরকারীভাবে শীঘ্রই কেবল কার স্থাপনের কাজ শুরু হবে। একারণে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে আরো নতুন নতুন রিসোর্ট স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। খাগড়াছড়ির রিচাং ঝর্ণা, মাইয়ুংকপাল পাহাড় ও ভাইবোন ছড়ার মায়াবিনী লেকটিকে ঘিরেও উদ্যোক্তাদের আগ্রহ বেশ বেড়েছে।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রশিদ জানান, বেসরকারী উদ্যোগে স্থাপিত খ্রাসাং জেলার সম্ভাবনাময় পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো। পর্যটকদের জন্য এখন ট্যুরিস্ট পুলিশ রয়েছে। যেকোন সমস্যায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সহযোগিতা নেয়ার আহব্বান জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

খাগড়াছড়ি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর সহ-সভাপতি ও দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মো: কাশেম বলেন, পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ নিয়ে এখানকার উদ্যোক্তাদের মধ্যে দীর্ঘসময় একটা সংশয় ছিলো। বিনিয়োগের পরিমাণ অনুযায়ী প্রত্যাশিত ভোক্তা পাওয়া- না পাওয়ার দোদুল্যমানতা ছিলো। কিন্তু সংসদ সদস্যের দেখানো পথ ধরে এখন জেলায় পর্যটন খাতে বিনিয়োগের একটা চমৎকার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘খাস্রাং’ ভবিষ্যতে শিশুদের জন্যও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে, যেহেতু এখানে সোনামনিদের বিনোদনের জন্য শিশুবান্ধব বিভিন্ন স্থাপনা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। তাছাড়া শিশুরা খেলাধুলার পাশাপাশি পাবে পাহাড় চূড়ায় সৃজিত সুইমিং পুলে সাঁতার শেখার সুযোগ।

সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এই প্রতিনিধিকে বলেছেন, ‘পর্যটকদের চিত্ত বিনোদনের জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খাগড়াছড়ির বিভিন্ন স্পটের পাশাপাশি খাস্রাং রিসোর্ট আলাদা মাত্রা যোগ করবে এবং পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

]]>
https://paharbarta.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8/feed/ 0