দূষন রোধ করা না গেলে কাপ্তাই হ্রদ বিপর্যয়ের সম্মুক্ষিণ হবে : মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কাপ্তাই হ্রদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
বর্জের কারণে কাপ্তাই হ্রদের দূষন রোধ করা না গেলে দেশের বৃহত্তর মাছের এই বিচরণ ক্ষেত্র ভবিষ্যতে বিপর্যয়ের সম্মুক্ষিণ হবে বলে আশংখা প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ। তিনি হ্রদের মাছ আহরনের ক্ষেত্রে মাছের পোনা নিধন না করার আহব্বান জানিয়ে স্থানীয় জেলেদেরকে আরো সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে রাঙামাটি মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের অবতরন ঘাঠে কাপ্তাই হ্রদে মাছের পোনা অবমুক্ত কর্মসূচীর উদ্ধোধন করতে গিয়ে এ কথা বলেন।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোঃ মানজারুর মান্নান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার মোঃ গোলাম ফারুক, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান দিলদার আহমদ, নৌ পুলিশের ডিআইজি মাহবুবুর রহমান, রাঙামাটি বিএফডিসি ম্যানেজার কমান্ডার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, কাপ্তাই হ্রদের পানি সুষ্ঠ ব্যবহারের মাধ্যমে মিঠা পানির মাছের প্রজনন বাড়াতে সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন কাপ্তাই হ্রদে কোনভাবেই জাঁক দিয়ে ও নেট ঘিরে মাছের বিচরণ রোধ করতে দেওয়া যাবেনা। পাশাপাশি হ্রদের নাব্যতা যাতে বজায় থাকে এবং হ্রদ ঘিরে যাতে কোন খোলা পয়ঃনিস্কাশন না থাকে সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, কোন ভাবেই কাপ্তাই হ্রদে বর্জ্য ফেলে পানি দূষন করতে দেওয়া যাবেনা। হ্রদে মাছের প্রজনন মৌসুমে মাছ শিকার খুলে দেওয়ার পরও পোনা ও ছোট সাইজের মাছ যাতে শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে এজন্য মৎস্য ব্যবসায়ীসহ সকলকে সচেতন হতে হবে, তা না হলে এ হ্রদের মাছের উৎপাদনে বিপর্যয় নেমে আসবে বলে আশংকা করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে অতিথিরা কাপ্তাই হ্রদে কার্পজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।