রাঙামা‌টিতে একে-৪৭ রাইফেলসহ বিপুল পরিমান গোলাবারুদ উদ্ধার

‌যৌথবা‌হিনীর অ‌ভিযানে রাঙামাটিতে এবার অস্ত্র ও বিপুল পরিমান গোলাবারুদ ও বিভিন্ন সরাঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৬নভেম্বর) ভোর ৪টায় নানিয়ারচর জোনের আওতাধীন জেলা সদরের বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের বামে ত্রিপুরাপাড়া এলাকা থে‌কে এসব অস্ত্র, গােলাবারুদ ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় কাউকে আটক করা যায়‌নি।

জানা যায়, গােয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নানিয়ারচর জোনের আওতাধীন বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের বামে ত্রিপুরাপাড়া নামক এলাকায় ইউপিডিএফ (মূল) দলের প্লাটুন কমান্ডার এবং পরিচালক প্লাবন চাকমা সহ ১৬-১৭ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল চাঁদা সংগ্রহ এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য ক্যাম্প স্থাপন করে অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) আনুমানিক ভাের ৪টায় নানিয়ারচর জোন এবং স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় যৌথ বাহিনী কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান চালায়।

আরো জানা গেছে, অভিযানের সময় সন্ত্রাসী দল পালিয়ে গেলেও আস্তানা হতে ১টি ৭.৬২ মিঃমিঃ একে-৪৭ রাইফেল (চায়না), ম্যাগাজিনসহ (১৮ রাউন্ড এ্যামুনিশন), ১টি ৭.৬৫ মিঃমিঃ অটোমেটিক পিস্তল (চায়না), ম্যাগাজিনসহ (০২ রাউন্ড এ্যামুনিশন), একটি দেশীয় এলজি (০২ রাউন্ড কার্তুজসহ), ১টি ওয়াকিটকি সেট, ৩ সেট ইউপিডিএফ (প্রসীত) দলের ব্যবহৃত ইউনিফর্ম, ১টি কালাে ব্যাগ, ১টি রাইজিং ষ্টার নামক ম্যাগাজিন, ১টি ল্যান্ড ফোন (সীম দ্বারা পরিচালিত), ২টি মােবাইল ফোন, ৩টি চাঁদা আদায়ের রেজিষ্টার, ২টি চাঁদা আদায়ের ডায়েরী, ৪টি জাতীয় পরিচয় পত্র, নগদ আড়াই লক্ষ টাকা এবং দেশী বিদেশী পুরােনাে মুদ্রাসহ অন্যান্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গােলাবারুদ এবং অন্যান্য দ্রব্য সামগ্রী নানিয়ারচর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে অ‌তি‌রিক্ত পু‌লিশ সুপার (সদর সার্কেল) তাপস রঞ্জন ঘোষ বিষয়‌টি নি‌শ্চিত করে বলেন, পরবর্তী আইনী পদ‌ক্ষেপ নেয়া হ‌চ্ছে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।