লামাকে বিভক্ত করে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব : প্রতিবাদে ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর হরতাল

লামায় উপজেলা গঠনের প্রস্তাব প্রেরণের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনের একাংশ
বান্দরবানের সাবেক মহকুমা (স্থগিত লামা জেলা) লামা উপজেলার সরই, আজিজনগর ও গজালিয়া এ তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে ‘সরই’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব প্রেরণ ও এ উপলক্ষে ২৮ ডিসেম্বরের সরই ইউনিয়নে অনুষ্ঠিতব্য গণশুনানির প্রতিবাদ এবং বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।
লামা উপজেলা অখন্ডতা রক্ষা পরিষদের ব্যানারে রবিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা প্রিয়দর্শী বডুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন সচেতন নাগরিক পরিষদের আহবায়ক মো. কামরুজ্জামান, আওয়ামী লীগ নেতা মো. জালাল আহমদ, জাতীয় পার্টি নেতা মো. ফরিদ উদ্দিন, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাপান বড়ুয়া প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে লামাকে অখন্ড রাখার এবং সরই ইউনিয়নকে উপজেলা রুপান্তরের সকল কার্যক্রম বাতিলের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন পরিষদ নেতৃবৃন্দরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আগে লামাকে জেলা বাস্তবায়ন করার পর সরই ইউনিয়নকে উপজেলা ঘোষনা করা হউক। যদি লামাকে জেলা ঘোষনা না করে বরং দ্বি খন্ডিত করে সরই উপজেলা ঘোষণা করা হয়; তাহলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। পরে বক্তারা আগামী ২৭ ডিসেম্বর বুধবার অর্ধদিবস ও ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার পূর্ণদিবস হরতাল পালনের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বাজার ব্যবসায়ীর পক্ষ থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য দোকান পাঠ বন্ধ রাখার দেয়া হয়।
এদিকে, লামা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী রবিবার সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিতভাবে জানিয়েছেন, মো. ইলিয়াছ গংদের কথিত ভুয়া বানোয়াট ও ভিত্তিহীন আবেদনের ভিত্তিতে সরই ইউনিয়নকে উপজেলা রুপান্তরের জন্য প্রশাসন কার্যক্রম গ্রহন করেছে। বিতর্কিত উপজেলা গঠনের কার্যক্রম বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসককে অনুরোধ জানান তিনি।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।