লামায় ঢাক-ঢোল-উলুধ্বনিতে মুখরিত পূজা মন্ডপ

লামা কেন্দ্রীয় হরিমন্দির মন্ডপের প্রতিমা
দেবী বোধনের মধ্য দিয়ে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো বান্দরবানের লামা উপজেলাও চলছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। গত সোমবার ষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই দুর্গোৎসব শুরু হয়। এ বছরও উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নের ৮টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে উপজেলাব্যাপী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চলছে উৎসবের আমেজ। প্রতিটি মন্ডপ রঙিন আলোয় আলোকিত করা ছাড়াও আশপাশের এলাকার সড়কে রঙ বে-রঙের আলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ করতে পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ১৯ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ পূজা।
পূজা মন্ডপগুলো হচ্ছে- লামা বাজার কেন্দ্রীয় হরিমন্দির মন্ডপ, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের গুলিস্তান বাজার মন্ডপ, ইয়াংছা বাজার মন্ডপ, পাগলির আগা মন্ডপ, কমিউনিটি সেন্টার মন্ডপ, আজিজনগর ইউনিয়নের তেলুনিয়াপাড়া মন্ডপ, লামা সদর ইউনিয়নের মেরাখোলা মন্ডপ ও পৌরসভার চম্পাতলী মন্ডপ।
লামা উপজেলা দূর্গা পুজা উদ্যাপন পরিষদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজয় আইচ বলেন, এ বছরও ৮টি মন্ডপে দুর্গোৎসব হচ্ছে। উৎসবকে শান্তিপুর্নভাবে উদযাপন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিটি মন্ডপের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরগুলোর তালিকা করে সেখানে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি বলেন, উপজেলার প্রতিটি মন্ডপে ইতিমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুদান প্রদান করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের জন্য মন্ডপে মন্ডপে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি মন্ডপ পরিদর্শন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
লামা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে দুর্গোৎসবের সময় উপজেলাব্যাপী সর্তক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ বছর প্রতিটি মন্ডপে পুলিশ ও আনসার ভিডিপি সদস্য মোতায়েনসহ আয়োজকদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত উপজেলার সবকটি পূজার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।