থানচিতে বৃক্ষ মেলা : মেলা শুরুর পর স্টল নির্মাণ !

আজ দুপুর ১২টা থানচির বলিবল গ্রাউন্ড থেকে বৃক্ষ মেলার স্টল এর দৃশ্য
বান্দরবানে থানচি উপজেলায় জাতীয় ফলদ বৃক্ষ মেলা শুরু করেছে কৃষি বিভাগ, তবে তা ব্যাপক অবহেলার মাধ্যমে। এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
‘‘অপ্রতিরোধ্য দেশের অগ্রযাত্রা,ফলের পুষ্টি দেবে নতুন মাত্রা’’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে থানচি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ মেলা আয়োজন করলেও, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে কঠোর নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হয়েছে, বৃক্ষ মেলা ছিলো যেন ক্ষোধ কৃষকদের জন্য নিষিদ্ধ !
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা গত সপ্তাহব্যাপী সাংবাদিকসহ কৃষকদের মাঝে মেলার আমন্ত্রনের কার্ড ছাপিয়ে বিতরণ করে। কার্ডে লেখা ছিল ১৭-১৯ জুলাই ৩দিন ব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি, পরে ১২টায় উপজেলা পরিষদ চত্তরে শুভ উদ্ভোধন করবেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী অফিসার এবং জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে। স্থানীয় সাংবাদিকরা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মেলায় অপেক্ষা করলেও সারা মিলেনি আয়োজক ও কৃষকদের ।
আজ মঙ্গলবার শুভ উদ্ভোধনের দিন দুপুর ২টা পর্যন্ত স্টল তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করেছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। সাংগু নদীর সেতুর নিচে বলিবল গ্রাউন্ড ৬টি স্টলের কোন প্রকার বিতরনে জন্য চারা গাছ ছিলোনা বলে জানা যায়।
জানা গেচ্ছে, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা সুদর্শণ সিকদার বিগত ১০ই জুন থেকে ছুটিতে ছিলেন। মেলা উদযাপনের দিন সকালে বান্দরবান থেকে থানচি আসলে বেলা সাড়ে ১২টা পৌছেন মেলায়। তিনি কিছুক্ষন রেষ্ট নিয়ে বেলা আড়াইটা দিকে বান্দরবানের জেলার ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মফিদুল আলম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গির আলম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বকুলি মারমাসহ উপস্থিত ছিলেন।
থানচির সাঙ্গু নদীর ধারে কৃষকদের জন্য স্তুপ করে রাখা চারা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারি শিক্ষা অফিসার নিজাম উদ্দিন, কৃষি সম্প্রাসারণ বিভাগের কর্মকর্তা সুদর্শণ সিকদার,থানচি রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার মোঃ আলাউদ্দিন, মিবক্যা রেঞ্জের সহকারি রেঞ্জ অফিসার আনিসুর রহমান একে অপরকে চারা আদান প্রদান করে দেখা গেছে। বৃক্ষ রোপনে কৃষক ও স্থানীয়দের উদ্ভুদ্ধ করতে এই মেলার আয়োজন, সেখানে যেন মেলার আয়োজন ছিল সরকারী কর্মকর্তাসহ আর বন কর্মীদের জন্য।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।