বান্দরবানে লাশের মিছিল

বান্দরবানে একের পর এক খুন,অপহরণে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। শসস্ত্র সন্ত্রাসীদের একের পর এক অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে প্রচন্ড ভীতি কাজ করছে স্থানীয়দের মনে। এবার সদর উপজেলার বাগমারা এলাকায় শসস্ত্র সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে ৬ জন নিহত আর দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে জেলা সদরের বাগমারা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা সবাই জেএসএস এমএন লারমা গ্রুপের সদস্য। দুই শসস্ত্র গ্রুপের দ্বন্ধের কারনে এই নির্মম হত্যাকান্ড ঘটে বলে মনে করছে নিরাপত্তা বাহিনী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে জেলার সদর উপজেলার বাগমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সকালে শসস্ত্র সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের গোলাগুলি শুরু হয়। এসময় জেএসএস এমএ লারমা গ্রুপের এই ৬ সদস্য নিহত হয়। বান্দরবানে নিহতরা হলেন জেএসএস এমএন লারমা গ্রুপের বান্দরবান সমন্বয়ক রতন তঞ্চঙ্গ্যা, সদস্য বিমল কান্তি চাকমা, ডেবিট মারমা, প্রগতি চাকমা, দিপেন ত্রিপুরা ও জয় ত্রিপুরা।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে জেএসএস এমএন লারমা গ্রুপের বান্দরবান সমন্বয়ক রতন তঞ্চঙ্গ্যা বাসায় নাশতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নিহতরা। এমন সময় সশস্ত্র একদল সন্ত্রাসী তাদের ঘেরাও করে এলোপাথাড়ি গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলে তাদের মৃত্যু হয়।ঘটনার পর সেই বাসায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকে একের পর এক লাশ। গুলিবিদ্ধ হন বিদ্যুৎ ত্রিপুরা ও নিরু চাকমা নামে দুই কর্মী।

জেলার ৬নং নোয়াপতং ইউনিয়নের মেম্বার মিচি মার্মা বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে ৬জনের লাশ দেখেছি, গুলিবিদ্ধ ২ জনকে বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর জেলা সদর থেকে সেনা সদস্য ও পুলিশের একটি দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে, তারা নিহত ও আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসছে।

এই ব্যাপারে সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সমিরণ নন্দী বলেন, আহত দুইজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ঘটনারপর পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। এঘটনার পর জেলা শহরে চরম আতংক বিরাজ করছে।

বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার বলেন, দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সম্ভবত ৫-৬ জন মারা গেছে,এখনো কনফার্ম করতেন পারছিনা মোট কতজন নিহত হয়েছে, কারন গুলিবিদ্ধ অনেকে বেঁচেও তো থাকতে পারে।

আরও পড়ুন
Loading...