বান্দরবানের লামায় নিহত ২ অপহরণকারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি

বান্দরবানের লামায় গনপিটুনিতে নিহত ২ অপহরণকারী
বান্দরবানের লামায় গনপিটুনিতে নিহত ২ অপহরণকারী
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়াডের্র হারগাজা ফকিরাখোলা নামক এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে সিএনজি অটোরিক্সা থামিয়ে ৪ জনকে অপহরণ করার ঘটনায় নিহত ২ অপহরণকারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে অপহরণের ঘটনা ঘটলেও পরে রাত বারটার দিকে একই এলাকা থেকে পুলিশ অপহৃত চারজনকে উদ্ধার করে। স্থানীয়রা দুই অপহরণকারীকে গনপিটুনি দিয়ে হত্যা করে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন আহম্মেদ,মো জহির,মানুর আলম,কালা পুতু। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহত দুই অপহরণকারীর নাম জানা সম্ভব হয়নি। তবে নিহত দুই অপহরণকারীর বাড়ি কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও এলাকার হতে পারে বলে ধারনা করছে পুলিশ।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদার পাহাড়বার্তাকে বলেন, হারগাজা এলাকাটি অপহরণকারীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের জান মালের কোন নিরাপত্তা নেই, তারা এই এলাকার মানুষ নয়, তারা অপরিচিত।
অপহৃত ৪ জন উদ্ধার ও ২ অপহরণকারীর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা অফিসার ইনচার্জ মো.ইকবাল হোসেন পাহাড়বার্তাকে বলেন, তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি, তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে।
২০১৬ সালে একই ইউপিতে ১০ টির ও বেশী অপহরনের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবারই মোটা অংকের মুক্তিপণ দিয়ে হতভাগ্য অপহৃতরা মুক্তি পেয়েছেন। গত ২৮ জুলাই বৃহস্পতিবার ফাঁসিয়াখালী ইউপি সাবেক মেম্বার ও আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল আবছারকে অপহরন করে এই গ্রুপটি এবং অপহরণের বিশ ঘন্টা পর ৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেয় অপহরনকারীরা।
এই ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার সঞ্চিত কুমার রায় পাহাড়বার্তাকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি বিভিন্ন অপহরণের সাথে জড়িত,দুই অপহরণকারীকে জনগন ধরেই গনপিটুনি দেয়, এরপর তারা মারা যায়।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।