বান্দরবানে পিপিই আসায় চিকিৎসকদের কিছুটা স্বস্থি

বান্দরবান পার্বত্য জেলার ৭ উপজেলার চিকিৎসকদের মধ্যে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) বিতরণ করা হয়েছে । বিশেষ এই সুরক্ষা পোশাক পাওয়ায় কিছুটা স্বস্থি ফিরেছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্যে ।

জেলা সিভিল সার্জন ডা: অংসুই প্রু জানান, গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ৫০০টি পিপিই পেয়েছি । এখন আমাদের কাছে ১হাজার ৪০টি পিপিই আছে । আর এগুলো বান্দরবানের সাত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠানো হয়েছে ।

তিনি আরো জানান, এগুলো একবারই ব্যবহার করা যায় । যেখানে খুবই দরকার শুধু সেখানেই আমরা ব্যবহার করব । আইসোলেশন ওয়ার্ডে যারা সেবা দান করবেন বিশেষ করে ডাক্তার, নার্সরা এটা ব্যবহার করবে । তবে পরিস্থিতি যদি খারাপ হয় তাহলে পিপিইর এই সংখ্যা কিছুই না ।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, বান্দরবানে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের ব্যবস্থা না থাকায় এবং চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সামগ্রীর অপর্যাপ্ততার কারণে চিকিৎসকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয় । বান্দরবান সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ১ হাজার ৪০টি পিপিই পাঠায় । এখন কিছুটা স্বস্থি ফিরেছে চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে ।

আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বান্দরবান জেলা সিভিল সার্জন অফিস থেকে ওয়ানটাইম ২০টি পিপিই পেয়েছি। যদি কোন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়,তার চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত ডাক্তার ও নার্স এই সুরক্ষা পোশাক ব্যবহার করবেন।

এদিকে, রোয়াংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মংহ্লাপ্রু জানান, আমরা ৪০টি পিপিই পেয়েছি। আইসোলেশন ইউনিটে নিয়োজিতদের এই সুরক্ষা পোশাক দেয়া হবে । সুরক্ষা পোশাক পাওয়ায় চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে কিছুটা স্বস্থি এসেছে ।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সতর্কতা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ১৭০ জনের মধ্যে আশঙ্কামুক্ত হওয়ায় মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ৭৩ জনকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে ।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।