ভূমি অধিগ্রহণ হলেই শুরু হবে বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণ: প্রকল্প পরিচালক

রামগড়ে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের মতবিনিময় সভা

খাগড়াছড়ির রামগড়ে ভারতের ত্রিপুরার রাজ্যের সাব্রুমের সাথে স্থলবন্দর নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই, পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব মূল্যয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রামগড় উপজেলা মিলনায়তনে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সভার আয়োজন করে।

মতবিনিময় সভায় স্থলবন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থানের ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সমস্যা নিরসনে পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়নসহ এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক, পরিবেশ ও সামাজিক বিষয়ে আলোচনা হয়।
রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ.ন.ম বদরুদ্দোজার সভাপতিত্বে রামগড় স্থলবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক হাবিবুর রহমান, বিশ^ ব্যাংকের সিনিয়র সোশ্যাল ডেভেলেপমেন্ট বিশেষজ্ঞ ক্যাননান ডব্লিউ রাপ ও রামগড় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ^ প্রদীপ কার্বারী বক্তব্য রাখেন।

মতবিনিময় সভায় প্রকল্পের পরিচালক বলেন হাবিবুর রহমান বলেন, রামগড় স্থলবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের জন্য ১০ একর ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ শেষ হলে এ বছরের যে কোন সময় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বন্দরের অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজ শুরুর কথা জানান প্রতিনিধিদল। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০২৩ সালের জুন মাসে রামগড় স্থলবন্দরের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে, প্রস্তাবিত বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের আওতায় থাকা অংশীজনদের মতামত শুনেন মতবিনিময় আয়োজনকারীরা। এ সময় আঞ্চলিক দলিল ও ভোগ দখলে থাকা ভূমি মালিকদের বিভিন্ন সমস্যা উত্থাপন করা হলে তা সমাধানে রামগড় উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও হেডম্যানদের সাথে বৈঠক করে দ্রুত তা সমাধান করার অনুরোধ করেন বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রকল্প পরিচালক।

উল্লেখ, ভারতের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষে ভারত সরকারের পূর্ণাঙ্গ অর্থায়নে সীমান্ত নদী ফেণীর উপর মৈত্রী সেতু ১ এর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। সেতু ও বন্দর অবকাঠামো নির্মাণ শেষে রামগড় স্থলবন্দর চালু হলে ব্যবসা বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।