রোয়াংছড়িতে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন

রোয়াংছড়িতে বোধিবৃক্ষের চন্দন জল সিঞ্চনে অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ অনুসারীরা
উৎসব মুখর পরিবেশে বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে বৌদ্ধদের ধর্মীয় মহোৎসব বুদ্ধ (বৈশাখি) পূর্ণিমা পালিত হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা এ উপলক্ষে রবিবার সকালে বিহারের প্রাঙ্গনে ধর্মীয় সূত্র পিটকসহ পঞ্চশীল,অষ্টশীল গ্রহণ শেষে বোধিবৃক্ষে চন্দন জল সিঞ্চনের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপন করেন।
মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু মহামান্য সংঘরাজ ও রোয়াংছড়ি কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে অধ্যক্ষ উ: বিচারিন্দা মহাথের,উপক্ষ্য উ: পঞানাইন্দা মহাথের,রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যবামং মারমা,রোয়াংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমাসহ বিভিন্ন বয়সের দায়ক-দায়িকাগণ ও ধর্ম প্রাণ নর-নারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
গৌতম বুদ্ধের শুভজন্ম বোধীজ্ঞান লাভ ও মহা পরিনির্বাণ লাভ সহ এই ত্রিস্মৃতি বিজরিত বৈশাখি পূর্ণিমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শ্রেষ্ঠতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব আমেজ। দেশের সব বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে এটি বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখি পূর্ণিমা নামে পরিচিত। বৌদ্ধ ধর্মমতে, আজ থেকে ২হাজার ৫৫৭ বছর পূর্বে এই দিনে মহামতি গৌতম বুদ্ধ আর্বিভূূত হয়েছিলেন। তার জন্ম বোধিলাভ ও মহাপ্রয়ান বৈশাখি পূর্ণিমার দিনে হয়েছিল বলে এর বৈশাখি পূর্ণিমা। এ পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের পালন করে থাকেন ধর্মীয় উৎসব।গৌতম বুদ্ধের আদর্শ ধারণ ও লালন করে আবহমানকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করে আসছে। এই সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে সমুন্নত রাখতে বৌদ্ধ ধর্মের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা,সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন।

আরও পড়ুন
1 মন্তব্য
  1. Kyaw Sein Aung বলেছেন

    သာဓူ သာဓူ သာဓူ

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।