সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট এর সফল সমাপ্তি

সেনাবাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতা

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের পৃষ্ঠপোষকতা ও সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত ‘সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর বহুল প্রতীক্ষিত গ্র্যান্ড ফাইনাল ও সমাপনী অনুষ্ঠান বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে আজ রোববার ৪ অক্টোবর বিকেলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পুরুষ দলের গ্র্যান্ড ফাইনালে বান্দরবান সদর উপজেলা দল ১-০ গোলে আলীকদম উপজেলা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ এই ম্যাচে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দুর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্য ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাব প্রদর্শন করেন।

অন্যদিকে টুর্নামেন্টে নারী বিভাগের গ্র্যান্ড ফাইনালে থানচি উপজেলা নারী দল চ্যাম্পিয়ন এবং বান্দরবান সদর উপজেলা নারী দল রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

এবারের টুর্নামেন্টে নারী ও পুরুষ দলের খেলোয়াড়দের অসাধারণ নৈপুণ্য, প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ ম্যাচ এবং দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

NewsDetails_03

ফাইনাল ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং, সাবেক চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই, ভারপ্রাপ্ত জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সায়েম আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোঃ সানিউল ফেরদৌস, বান্দরবান রিজিয়নের মেজর পারভেজ রহমান, জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট অরুপ রতন পাল, জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ রেজাউল করিম,বান্দরবান সম্মিলিত ক্রীড়া পরিষদের সভাপতি আজহারুল ইসলাম বাবুলসহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্মকর্তা এবং ক্রীড়াপ্রেমীরা।

খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার আপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা। এসময় নারী দলে সেরা গোলকিপার রিংকি মারমা, সেরা খেলোয়াড় মাপ্রু চিং মারমা, সর্বোচ্চ গোলদাতা মাপ্রু চিং মারমা এবং ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার গ্রহণ করেন দীপা চাকমা।

অন্যদিকে পুরুষ দলে সেরা গোলকিপার নির্বাচিত হয় ইমন বড়ুয়া,সেরা খেলোয়াড় মোঃ জাফর, সর্বোচ্চ গোলদাতা মোঃ জাফর এবং ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয় মোঃ জাফর ।

‘সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে আশাবাদ আয়োজকদের।

আরও পড়ুন