এবার থানচিতে হামের প্রার্দুভাব

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় স্বল্প আকারে হামের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। আজ বুধবার ১ লা এপ্রিল দুপুরের দুই পাড়ায় হামের আক্রান্ত তিন শিশুকে অভিবাবকরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এসে ভর্তি করান। তকে এই শিশুরা সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়ে হামে আক্রান্ত কিনা পর্যবেক্ষনে আছেন এমনটা বলেছেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্তব্যরত চিকিৎসক মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাহাত ।

হামে আক্রান্ত হলেন থানচি সদর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে তংক্ষ্যং পাড়া নিবাসী ছোমং মারমা এর ২ বছরের ছেলে উমং প্রু মারমা, ৫ নং ওয়ার্ডে উষামং হেডম্যান পাড়া নিবাসী থোয়াইসিংমং মারমা এর তৃতীয় শ্রেনির শিক্ষার্থী উম্যাসাইন ৯, নুসাইমং মারমা দেড় বছরের ছেলে ।

থানচির তংক্ষ্যং পাড়া নিবাসী ছোমং মারমা ৩০ জানান, আমার ২ বছরে ছেলে দুই একদিন যাবৎ জ্বর সর্দি ও শরীরে ফোটা ফোটা উঠেছিল, পাড়ায় মুরুব্বিরা বলল স্থানীয় ভাষা (ওয়াসাক) হাম হয়েছে। দেখতে দেখতে জ্বালাপোড়া বেশী করলে আজ বুধবার নিজ পাড়া থেকে ৪ কিঃমিঃ হেঁটে হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে ।

এদিকে উষামং হেডম্যান পাড়া নিবাসী মেয়ইসিং মারমা (হামে আক্রান্তে) মা বলেন, আমার বড় মেয়ে ফোটা ফোটা উঠলে হাসপাতালে হটলাইন নাম্বারে ফোন দিয়েছি, তৎক্ষনিকভাবে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ এ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে হাসপাতালে এনে ভর্তি করেছে।

এক দিকে নোভেল করোনা ভাইরাস যুদ্ধে ঘরবাড়ীতে লক ডাউনের কারনে যাতায়াতে অভ্যন্তরীণ যানবাহন (পরিবহন) বন্ধ, অপরদিকে শিশুদের হামের প্রার্দুভাব দেখা দেয়ায় অনেকের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে।

থানচি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোহাম্মদ ওয়াহিদুল জামান মুরাদ বলেন, কিছুদিন আগেই উষামং হেডম্যান পাড়া হতে এক শিশু প্রথমে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা শেষে ফের পাতলা পায়খানা ও জ্বরে চিকিৎসা শেষ করে বাড়ীতে গিয়েছে। আজকের ভর্তি করা শিশুদের রক্ত পরীক্ষা শেষে নিশ্চিত করতে পারবো তারা হামের আক্রান্ত।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।