করোনা উপসর্গ নিয়ে পালিয়ে আসা নারীসহ ৫ জনের নমুনা সংগ্রহ নাইক্ষ্যংছড়িতে

চট্টগ্রামের গার্মেন্টস থেকে পালিয়ে আসা এক চাক সম্প্রদায়ের নারীসহ ৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গার্মেন্টস থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন সে। তার বাড়ি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দৌছড়ি ইউনিয়নের কুরিক্ষং চাক পাড়ায়।

নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা, আবু জাফর মো, ছলিম বলেন, প্রাথমিক ভাবে জানতে পারি চট্টগ্রাম গার্মেন্টস থেকে পালিয়ে আসা চাক সম্প্রদায়ের এক নারী বিগত দুই,তিন মাস ধরে করোনা উপসর্গ নিয়ে অসুস্থতায় ভুগছেন। চিকিৎসকের পরার্মশে ওষুধপত্র নিয়ে আত্মগোপন করেন নিজ এলাকায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এক পর্যায়ে চাক সম্প্রাদায় মহল থেকে প্রশাসনকে বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে খবর দেয়। কারন ওই দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় মোবাইল সংযোগ নেই।
আজ ১৮ মে (সোমবার) দুপুরে ওই করোনা উপসর্গ নারীসহ পরিবারের সংস্পর্শ পাচঁ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সেই নমুনা (সেম্পল) কক্সবাজার সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। নমুনার ফলাফল আসলে বুঝা যাবে তাদেরকে আইসোলেশনে ভর্তির প্রয়োজন আছে কিনা। এই ৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

আরো জানা গেছে, করোনার উপসর্গ হিসেবে সে নিজে গোপনে চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করে কিছু ঔষুধপত্র নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। তার এসব খবরা খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুরো চাক সম্প্রদায়ে লোকজনের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করে।

এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি জানান, চট্টগ্রাম থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে থাকা নারীটি গার্মেন্টস কর্মী বলে বিষয়টি জানতে পারি গত কাল সন্ধ্যায়। পরদিন সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর একটি টিম ওই এলাকায় রাওনা দিয়ে দুপুর বেলায় পৌছেঁন তারা। পরে তাদের নমুনা সংগ্রহসহ পরিবারের সংস্পর্শ ৫ ব্যাক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন
Loading...