দীঘিনালায় তৃতীয় পর্যায়ে ঘর পাচ্ছে ১০৩ পরিবার

মুজিববর্ষে কেউ গৃহ ও ভূমিহীন থাকবে না’- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই ঘোষনা বাস্তবায়নে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’ হিসেবে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের প্রকল্পের আওতায় প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে ৪১৭ পরিবারের। তৃতীয় পর্যায়ে ঘর পাচ্ছে আরও ১০৩ পরিবার।

প্রথমদিকে জমি আছে, ঘর নাই এমন পরিবারকে নিজস্ব জমিতে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়া হলেও পরবর্তীতে জমি নাই, ঘর নাই এমন অস্বচ্ছল ও হতদরিদ্র পরিবার ২ শতাংশ জমির সঙ্গে পেয়েছেন স্বপ্নের ঠিকানা। এতে তাদের মুখে সদা প্রাপ্তির হাঁসি। দোয়া করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়,দীঘিনালায় আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে মেরুং ইউপির ১৬৭ পরিবারকে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে মেরুং ইউপিতে ৬০, বোয়ালখালী ইউপিতে ৫০, কবাখালী ইউপিতে ৯০ ও দীঘিনালা ইউপিতে ৫০ পরিবার পায় তাদের স্বপ্নের ঠিকানা। তৃতীয় পর্যায়ে উপজেলায় ১০৩টি গৃহের কাজ চলমান রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুশফিকুর রহিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় দীঘিনালার বিভিন্ন ইউপিতে ইতোমধ্যে ৪১৭ টি ঘরের নির্মাণকাজ শেষ করা হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে আরও ১০৩টি ঘরের নির্মাণকাজ চলমান৷ ইতোপূর্বে ২-১ টি গৃহে ভুমিকম্পের ফলে হালকা ফাটল দেখা দিয়েছিল। আমরা সেসব গৃহ সংস্থার করে দিয়েছি।

দীঘিনালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শফিক বলেন, একসময় এ উপজেলায় ভুমিহীন ও গৃহহীন অনেক অসচ্ছল ও হতদরিদ্র পরিবার ছিল৷ তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। এসব উপকার ভোগীদের সাথে প্রায়শই দেখা করি ও খোঁজ খবর নেই। তারা মনভরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য সর্বদাই দোয়া করেন।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা মুস্তফা জানান, দীঘিনালায় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ৪১৭ টি গৃহ সুবিধাভোগী পরিবারকে ২শতক জমি সহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে ১০৩ টি গৃহের নির্মাণ কাজ চলমান। চলমান কাজগুলো আমি সরেজমিনে গিয়ে তদারকি করছি। পাশাপাশি যাচাই-বাছাই করে অসচ্ছল ও অসহায় পরিবারকে গৃহ প্রদান করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।