দুর্ঘটনা এড়াতে বান্দরবানের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে লাগানো হচ্ছে সাইনবোর্ড

অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভুমি বান্দরবান। পাহাড়, নদী, ঝর্ণা আর প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগে প্রতিদিনই বান্দরবানে ভ্রমনে যায় অসংখ্য দেশি বিদেশী পর্যটক। তবে ভ্রমণ পিপাসুদের অতি উৎসাহ ও বিপদজনক জায়গা সম্পর্কে ধারণা না থাকায় ঘটে অনেক সময় অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা, অনেক সময় ঘটে প্রাণহানি।

সম্প্রতি (২২ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে ১০জনের একটি পর্যটক দল বান্দরবান ভ্রমণে আসে তবে অসাবধনাতবসত ঝর্ণার পানিতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মারা যায় ৩জন, আর এই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। দুর্ঘটনা এড়াতে এবার তাই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পর্যটকদের ভ্রমনের বিভিন্ন বিপদজনক সড়কে বসানো হচ্ছে নিরাপত্তা সাইনবোর্ড।

সুত্রে জানা যায়,পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য জেলা সদরের থানারকুম, শৈলপ্রপাত, উজানীপাড়াকুম, মধ্যমপাড়াকুম, দেবতাকুমসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তা সাইনবোর্ড বসানো হচ্ছে। একইভাবে জেলার রোয়াংছড়ি, থানচি, রুমা, আলীকদম উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলোতেও এই ধরনের নিরাপত্তা সাইনবোর্ড বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.কায়েসুর রহমান জানান, বান্দরবানে ভ্রমনে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন সদা সর্তক থাকে। পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে নীলাচল ও মেঘলার প্রবেশমুখ এবং অভ্যন্তরে দায়িত্ব পালনকারী স্টাফদের সুনির্দিষ্ট পোশাক দেওয়া হয়েছে, যাতে পর্যটকরা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে বিশেষ পোশাক পরিহিত এসব সিকিউরিটি গার্ডদের কাছে সহজেই সাহায্য চাইতে পারে।

তিনি আরো বলেন, নীলাচল ও মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতাভুক্ত করা হয়েছে বাকি গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত করা হবে। পর্যটকরা কোন বিপদের সম্মুখীন যাতে না হয় সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিপদজনক জায়গায় বসানো হচ্ছে নিরাপত্তা সাইনবোর্ড।

তিনি আরো বলেন, ভ্রমনে আসা পর্যটকদের আরো সচেতন হতে হবে বিশেষ করে ভ্রমন এলাকা সর্ম্পকে ভালোভাবে জেনে ভ্রমন করতে হবে এবং নদী ও ঝর্ণা পথে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভ্রমন করতে হবে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।