বান্দরবানে গত তিন মাসে ৩,৩৪,২১৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার

আটক অন্তত ৩৪ জন

সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বান্দরবান জেলায় অবাধে প্রবেশ করছে মরণঘাতী মাদকদ্রব্য। আর উদ্ধার হচ্ছে একের পর এক মাদকের চালান। পুলিশ ও বিজিবি এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করলেও এর অন্তরালের নায়করা থেকে যাচ্ছে অন্তরালেই। আর এ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরী করেছেন পাহাড়বার্তা’র গবেষণা সেল এর প্রধান সুহৃদয় তঞ্চঙ্গ্যা।

বিশেষজ্ঞের মতে, বান্দরবান জেলার কিছু অংশ মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী হওয়ার কারণে মাদক চোরাকারবারীরা সহজে মাদকের চালান নিয়ে আসছে জেলায়। জেলার সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি, আলীকদম, থানচি, রুমা উপজেলা মূলত মিয়ানমার এবং ভারতের কাছাকাছি হওয়ার কারণে মাদক চোরাকারবারীদের অবাধ বিচরণের কারণে জেলায় মাদকের কারবার বাড়ছে।

পাহাড় বার্তা’র গবেষণা সেল এর তথ্য অনুসারে গত জুন, জুলাই, আগস্ট মাসে বান্দরবান জেলায় ৩,৩৪,৮৫০ পিস ইয়াবা, ৮১৬ লিটার মদ, ২৩ রাউন্ড গুলিসহ ৩টি দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকাসহ ১টি মোটর সাইকেল ও একটি চোলাই মদবাহী নোহাগাড়ি উদ্ধার হয়েছে, আটক হয়েছে অন্তত ৩৪ জন।

অন্যদিকে গত ০১ জুন নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবি সাথে বন্দুক যুদ্ধে এক ইয়াবা চোরাকারবারি নিহত হন। নিহত মাদক চোরাকারবারি ব্যক্তির নাম আব্দুর রহমান (২৫)সে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বলে জানা যায়।

বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার জেরিন আখতার জানান, বান্দরবান জেলার কিছু অংশ সীমান্তবর্তী হওয়ার কারণে বিদেশি কিছু মাদক আসছে। মাদক বিরোধী অভিযানে আমরা বরাবরই জিরো টলারেন্সে রেখেছি। জেলার কিছু অংশে চোলাই মদ উৎপাদন হচ্ছে, পুলিশের অভিযানে চোলাই মদ উৎপাদন অনেকাংশে কমেছে। মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের আমরা আইনিভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।