বান্দরবানে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মন্দির পরিদর্শনে বীর বাহাদুর

বান্দরবানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছোট পরিসরে উদযাপিত হচ্ছে সনাতন ধর্মালম্বীদের শুভ জন্মাষ্টমী। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথিকে শুভ জন্মাষ্টমী হিসেবে উদ্‌যাপন করে থাকেন। আজ সোমবার (৩০আগস্ট) ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি, তাই যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং আনন্দ–উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপন করছেন ভক্তরা। প্রতিবছর শুভ জন্মাষ্টমীতে শোভাযাত্রাসহ নানান আয়োজন থাকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের।

তবে এবার করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে কোনো শোভাযাত্রা বা সমাবেশ হয়নি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মন্দিরেই আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় মন্দিরে ভক্তরা বিভিন্ন পূজা-আর্চনা, গীতাপাঠ ও প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করে ।

এসময় জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কেটে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপন করেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এসময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল কুদ্দুছ ফরাজি, পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাশ, মোজাম্মেল হক বাহাদুর, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ, পৌর প্যানেল মেয়র সৌরভ দাশ শেখর, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি অঞ্জন দাশ, সাধারণ সম্পাদক সুজন চৌধুরী সঞ্জয়’সহ ভক্তবৃন্দরা ।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে অশুভ শক্তিকে দমন করে সত্য ও সুন্দর প্রতিষ্ঠা করতে আবির্ভাব ঘটেছিল ভগবান শ্রীকৃষ্ণের, তাঁর আবির্ভাব বিশ্বের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করে। নির্যাতিত–নিপীড়িত মানুষকে রক্ষায় তিনি পরিত্রাতার ভূমিকা পালন করেন। অন্ধকার সরিয়ে পৃথিবীকে আলোয় উদ্ভাসিত করেন। সনাতন ধর্মালম্বীরা প্রতিবছর ধর্মীয়ভাবে এ দিনটি উদযাপন করে এবং দেশ সমাজ ও প্রত্যেকটা মানুষের যাতে মঙ্গল হয় তার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।