লামায় হিল ভিডিপির বিরুদ্ধে বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে

বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক হিল ভিডিপি সদস্যসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে এক অসহায় নারীর দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের রাজ্জাক পাড়ার বাসিন্দা মো. জাফরের স্ত্রী ফাতেমা বেগম মঙ্গলবার সকালে এ অভিযোগ করেন।

এ ঘটনায় উল্লেখিত অভিযুক্তরা হলেন-আজিজনগর ইউনিয়নের হিল ভিডিপির নায়েক ও রাজ্জাক পাড়ার বাসিন্দা মৃত আবদুল হামিদ তালুকদারের ছেলে মো. আলমগীর (২৮), তার ভাই মো. হারুণ মুন্সি (৪০), স্ত্রী আকলিমা বেগম (৪০), ছেলে হাসান (২২) ও নেছার উদ্দিনের স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার (২৫)।

এদিকে জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাও করেন ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম।

অভিযোগে প্রকাশ, হিল ভিডিপির সদস্য মো. আলমগীর ও মো. হারুণের নেতৃত্বে ৫-৬ জন সংঘবদ্ধ হয়ে গত ১২ মার্চ বিকাল ৩টার দিকে ফাতেমা বেগমসহ পরিবারের অন্য সদস্যদেরকে টেনে হেঁচড়ে ঘর থেকে বের করে দেন। এরপর ঘন্টাব্যাপী বসতঘর ভাংচুর করে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। শুধু তাই নয়, এ সময় হামলাকারীরা ঘরে রক্ষিত দুই লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা কিংবা কোথাও অভিযোগ করলে মেরে লাশ ঘুম করবে বলেও হুমকি দেয় আলমগীরেরা।

ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম জানান, আলমগীর হিল ভিডিপির সদস্যের পাশাপাশি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকায় নানা অপকর্ম করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমার দীর্ঘ বছরের ভোগদখলীয় জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে গত ১২ মার্চ তারা সংঘবদ্ধ হয়ে আমার বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট করেন। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে আমি বাদী হয়ে উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেুট আদালতে মামলা করেছি।

বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. আলমগীর বলেন, আমি ‘দৈনিক আজকের বসুন্ধরা’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার। আপনাকে ঘটনার বিস্তারিত সাক্ষাতে বলবো।

এদিকে লামা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিরো বলেন, ভিডিপি’র সদস্য মো. আলমগীরের বিরুদ্ধে ফাতেমা বেগম নামের এক মহিলা লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।