কাপ্তাইয়ে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন চিৎমরম হাই স্কুল
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চিৎমরম উচ্চ বিদ্যালয়। রানারআপ হয়েছে নারানগিরি উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা, নৈতিকতা ও দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় উপজেলার মোট আটটি বিদ্যালয় অংশ নেয়।
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রাঙামাটির সহযোগিতায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এ আয়োজন করে।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি, তথ্য ও মতামত তুলে ধরে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বিতর্ক শেষে চিৎমরম উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন এবং নারানগিরি উচ্চ বিদ্যালয় রানারআপ হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে শিক্ষার্থীদের সততা ও নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তাই এখন থেকেই তাদের মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান তৈরি করা জরুরি।
বিশেষ অতিথি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এনামুল হাজারী বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা ও নৈতিকতার চর্চা বাড়াতে সহায়ক হবে।
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শাহাদাত হোসেন বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির কাজ পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততার মূল্যবোধ তৈরি হলে ভবিষ্যতে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের ভিত্তি আরও শক্ত হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, গণমাধ্যমকর্মী কাজী মোশারফ হোসেন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইস্রাফিল হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ হাসান।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: এনামুল হাজারী, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. ফজল রাব্বি মজুমদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকের ও সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন।
রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ ঘোষ, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সোশেল চাকমা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ হাসান।


