কাপ্তাইয়ে বারি উদ্ভাবিত কফি ও কাজুবাদাম চাষাবাদ প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত কফি ও কাজুবাদামের চাষাবাদ প্রযুক্তি এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক সহকারীদের নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত গবেষণা কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অঙ্গ)-এর অর্থায়নে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৩০ জন বৈজ্ঞানিক সহকারী অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা। তিনি তাঁর বক্তব্যে পাহাড়ি এলাকায় কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

NewsDetails_03

তিনি বলেন, দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে এসব সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আয় বাড়ানো সম্ভব।

রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আতিকুর রহমান, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মনিরুজ্জামান এবং খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বান্দরবান সদর সরেজমিন গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড: মো: সেলিম।

প্রশিক্ষণ শেষে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত উন্নত জাতের বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা এবং উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী বৈজ্ঞানিক সহকারীরা কফি ও কাজুবাদামের আধুনিক চাষাবাদ, পরিচর্যা, রোগবালাই দমন, সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক ধারণা লাভ করেন। আয়োজকদের আশা, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পাহাড়ি অঞ্চলে কফি ও কাজুবাদাম চাষের সম্প্রসারণে নতুন গতি সৃষ্টি হবে।

আরও পড়ুন