১৮০ দিনের টার্গেটে পাহাড় বদলের ঘোষণা পার্বত্যমন্ত্রীর
পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যহীন সুষম উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করে পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, “১৮০ দিনের বিশেষ টার্গেট নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। আগে কাজ করে দেখাতে চাই, তারপর দৃশ্যমান পরিবর্তন আপনাদের সামনে তুলে ধরব।
দায়িত্ব গ্রহনের পর নিজ জেলা রাঙামাটি সফরে এসে আজ শুক্রবার দুপুরে রাঙামাটি সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনী এলাকা রাঙামাটিতে এসে পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো খাতে সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে যেসব দুর্গম এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছেনি, সেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করে কাজ শুরু হবে। “পাহাড়ে উন্নয়নে কোনো বৈষম্য বরদাশত করা হবে না,”—জোর দিয়ে বলেন তিনি।
সরকারের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যেই দৃশ্যমান অগ্রগতি আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এখন জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় জনসেবাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এর আগে শহরের প্রবেশমুখ গোদারপাড় এলাকা থেকে শুরু করে ঘাগড়া, মানিকছড়ি, ভেদভেদী ও বনরূপা এলাকায় হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জনতার উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর।
সার্কিট হাউসে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড-এর চেয়ারম্যান মেজর (অব.) অরূপ কুমার চাকমা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী এবং পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম (বার), পিএসসি-সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


