এই সড়কটির কর্তৃপক্ষ কে ?

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী বাজারের প্রবেশ পথ
বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই করুন দশায় পরিনত হয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী বাজারের প্রবেশ পথ। সড়কের উভয় পার্শ্বে কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন হলেও মাত্র দুইশত গজ রাস্তার চিত্র ভিন্ন রুপ। জনবহুল বাজারের প্রবেশ পথের মাত্র দুইশত গজ জায়গা অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে সড়কটি কর্তৃপক্ষ আসলে সরকারের কোন প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যানবাহন ও জনসাধারন চলাচলে বর্তমানে কঠিন হয়ে পড়েছে। যার ফলে পুরো ১৩ কিঃ,মিঃ সড়কটি অকেজো হয়ে পড়েছে। বর্তমানে কাদা পানি মাড়িয়ে কোন রকম যানবাহন ও জনসাধারণ চলাচল করছে। পুরুদমে বর্ষা মৌসুম শুরু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এলাকার হাজারো মানুষের প্রশ্ন উভয় পার্শ্বে সড়কের মেরামতের কাজ সমাপ্ত হলে ও এই জায়গাটুকু মালিক বিহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
এদিকে বাইশারী বাজারের ত্রিমোহনি চত্বর হইতে উত্তরে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত পাকা সড়েকের কাজটি করেছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগ বান্দরবান। অন্যদিকে ত্রিমোহনী চত্বর থেকে দুইশত গজ বাদ দিয়ে সড়কের কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়নের কাজটি করেছেন এল,জিইডি নাইক্ষ্যংছড়ি। উভয় দপ্তর দুইশত গজ রাস্তার জায়গা বাদ দিয়ে কাজ করায় এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন হল, এইটা মনে হয় নোম্যান্ডস ল্যান্ডস। নাহ য় মালিক বিহীন বেওয়ারিশ এলাকা। তবে এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, যতটুকু এবং যেই জায়গা থেকে টেন্ডার হয়েছে এই কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বাকী কাজের জন্য দরপত্র আহবান করা হবে।
বর্তমানে উক্ত স্থান দিয়ে যান চলাচল ও মানুষ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দেখলে মনে হবে এই সড়কটির কোন মালিক নেই। উক্ত স্থান করুন দশায় পরিনত হওয়ার কারণে দ্রব্যমুল্য আনা নেওয়া এবং বাজারের মালামালা কাধে বহন করে নিতে হচ্ছে। যার ফলে কৃষক ও বাবসীয়রা দ্বিগুন খরচ গুনতে হচ্ছে। বাইশারী বাজারটি বাইশারী সহ তিন ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের প্রান কেন্দ্র। তাই দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী তুলছেন হাজারো ব্যবসায়ী মহল।
এ বিষয়ে বাইশারী ইউপি চেয়ারমান মোঃ আলম কোম্পানি বলেন, বাইশারী বাজারের প্রবেশ পথের রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ হয়েছে। দ্রুত উন্নয়নের জন্য তিনি বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলেছেন। অচিরেই ব্যাবস্থা নিবেন বলে তাকে আশ্বস্থ করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার তোফাজ্জল হোসেন ভুইয়া জানান, টেন্ডারের মাধ্যমে হোক আর না হলে বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে হোক দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।