তিনটিলা বনবিহারে ২৩ তম কঠিন চীবর দানোৎসব

রাঙ্গামাটির লংগদুতে কঠিন চীবর দানোৎসব নানাবিধ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে তিনটিলা বন বিহারে উদযাপিত হয়েছে ২৩ তম দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব।

অনুষ্ঠানে নানারকম কর্মসূচীর মধ্যে বুদ্ধপূজাদান, বুদ্ধমূর্তিদান, সংঘদান, অষ্ট পরিস্কারদান, কঠিন চীবরদান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, হাজার বাতিদান, ধর্মীয় দেশনা, কল্পতরু প্রদক্ষীণ ও উৎসর্গ সহ নানাবিধ দান উল্লেখযোগ্য।

আজ মঙ্গলবার (১৬নভেম্বর) দানোৎসবকে ঘিরে কয়েক হাজার পূর্ণার্থীদের আগমন ঘটে বিহার এলাকায়। সকল প্রাণির সুখ ও মঙ্গল কামনায় এবং মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রানের জন্য বিশেষ প্রার্থণা করা হয়। এসময় মহাসাধক সাধনানন্দ মহাস্থবীর বনভান্তের স্মরণে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে পঞ্চশীল প্রার্থণা পাঠ করেন, লংগদু উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সোনা মিত্র চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রকি চাকমা।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের আত্মশুদ্ধি লাভের জন্য বনভান্তের অমিয় বাণিগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। তিনি বলেন, লংগদু তিনটিলা বনবিহার হচ্ছে পরম শ্রদ্ধেয় ভান্তের স্মৃতি বিজড়িত স্থান। এখানে অবস্থান করে তিনি সাধনা লাভ করেছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাইনুল আবেদিন।

বনভান্তের অমীয় বাণী দিয়ে পূর্ণার্থীদের ধর্মীয় দেশনা দেন তিনটিলা বন বিহার অধ্যক্ষ ধর্মলোক স্থবির, কাটাছড়ি বনভাবনা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ইন্দ্র গুপ্ত মহাস্থবির, ফুরোমন আন্তর্জাতিক বনভানা কেন্দ্র ভান্তে বৃগুমহাস্থবির।

এসময় লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আমিন সহ অন্যান্য ভিক্ষুগন উপস্থিত ছিলেন। শেষে পূর্ণাথীরা হাজার বাতি প্রজ্জ্বলন করেন এবং ফানুস বাতি উড়ান।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।