নাইক্ষ্যংছড়িতে নৌকা না পেয়ে হতাশ দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা

১৪ অক্টোবর ইউপি নির্বাচন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্টিত হচ্ছে আগামী ১৪ অক্টোবর। গত ৪ সেপ্টেম্বর তফসীল ঘোষণার প্রথম ধাপে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তিন ইউনিয়নের মেয়াদ উর্ত্তীণ হওয়ার মধ্যে রয়েছে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর, সোনাইছড়ি ও ঘুমধুম ইউনিয়ন। তবে নির্বাচনকে ঘিরে ক্ষমতাসীন দলের নৌকার মনোনয়ন চুড়ান্ত ঘোষণায় রয়েছে,সদর ইউনিয়নের তসলিম ইকবাল চৌধুরী,সোনাইছড়ি ইউনিয়নের এ্যানিং মার্মা ও ঘুমধুম ইউনিয়নের এ,কে,এম জাহাঙ্গীর আজিজ।

গত ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকাস্থ গণভবনে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সংসদীয় ও মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ সভায় যাচায়-বাছাই পূর্বক মনোনয়ন পত্রে আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দু সোবাহান গোলাপ এমপি,র স্বাক্ষর করেন বলে দলীয় সূত্রে জানান। দলীয় মনোনয়নের দপ্তর সম্পাদকের স্বাক্ষরিত পত্রে এ উপজেলার তিন ইউনিয়নের দলের মনোনীত প্রার্থীর নাম উঠে আসার কথা সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষমতাসীন দলের অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েন।

তবে তারা স্বতন্ত্র ( আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও জমা দিবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত করতে পারচ্ছেন না সংগ্রহকারীরা । অপর দিকে বিএনপির সমর্থকেরাও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ গ্রহণ বা মনোনয়ন সংগ্রহ করবে কিনা নিশ্চিত করে বলতে পারচ্ছেনা বলে দলের নেতৃবৃন্দরা।

নির্বাচন সূত্র জানান, গত ৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু হলেও চেয়ারম্যান প্রার্থী চেয়ে পুরুষ ও মহিলা মেম্বারের ফরম বিতরণ হচ্ছে বেশী। চেয়ারম্যন প্রার্থীর মধ্য ফরম সংগ্রহ করার সম্ভাবনায় রয়েছেন, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ক্ষমতাসীন দলের একক প্রার্থী তসলিম ইকবাল চৌধুরী, বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল আবছার ইমন, বিএনপি সমর্থীত নেতা মাওলানা মো, সুলতান, সোনাইছড়ি ইউনিয়নের আ,লীগ মনোনীত একক প্রার্থী ও ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক এ্যানিং মার্মা, বর্তমান চেয়ারম্যান (আ,লীগ বিদ্রোহী) হিসেবে বাহাইন মার্মা,ঘুমধুম ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আ,লীগ মনোনীত প্রার্থীত এ,কে,এম জাহাঙ্গীর আজিজ,স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম কাদের,রশিদ মেম্বার ও মাওলানা ছালেহ আহাম্মেদ ।

তসলিম ইকবাল চৌধুরী জানান, দল আমাকে নৌকার প্রার্থী মনোনীত করেছে বলে জেলা আ,লীগের নীতি নির্ধারকেরা ফোনে নিশ্চিত করেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেহ বিদ্রোহী প্রার্থী হতে চাইলে সে প্রেক্ষিতে কি সিদ্ধান্ত নেয় জেলা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ ভালই বুঝবে।

এ্যানিং মার্মা জানান, দলের নেতা কর্মীরা নতুন মুখ দেখতে চেয়েছে এবং নতুন ইউনিয়ন হিসেবে অবহেলিত এলাকাগুলো অধিক উন্নয়ন পাওয়ার আশায় দল আমাকে মনোনীত করেছে। আমি নির্বাচিত হলে জনগণকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে উন্নয়নের কাজ করে যাবো।

এ,কে,এম জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, দল আমাকে মনোনীত করে উন্নয়নের নৌকা মার্কা দিয়েছে। সেই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জনগণ আবারও জয়যুক্ত করলে ঘুমধুম হবে উন্নয়নের রোল মডেল।

উল্লেখ্য,বুধবার ৪ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১৫ সেপ্টেম্বর প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ও ভোট গ্রহন ১৪ অক্টোবর।

আরও পড়ুন
Loading...